দীর্ঘ ২৬ বছরের এক দীর্ঘশ্বাস আর আক্ষেপের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে নিল নরওয়ে। ২০০০ সালের ইউরোর পর থেকে কোনো বড় টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি দলটি। আর বিশ্বকাপের হিসাব করলে তো সেই ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স আসর। নরওয়ের ফুটবলের এই দীর্ঘ খরা কাটার পেছনে প্রধান নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
হালান্ড
আর্লিং হালান্ড নেই, তাতে কী? দলের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় তারকার অভাব একদমই টের পায়নি ম্যানসিটি।
জাতীয় দল কিংবা ক্লাব—দুই জার্সিতেই বছরজুড়ে গোলের পর গোল করেছেন। নরওয়ে ও ম্যানচেস্টার সিটিতে সমানতালে গোল উৎসব করে ক্যারিয়ারে পেলেন আরেকটি স্বীকৃতি। টানা ছয়বার নরওয়ের বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়ে ‘হেক্সা’ পূরণ করলেন তারকা এই ফরোয়ার্ড।
পুরনো ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে আবারও ত্রাস হয়ে ফিরলেন আর্লিং হালান্ড। দুর্দান্ত এক গোল করলেন সাবেক দলের বিপক্ষে।
পুরো ম্যাচে দাপট ছিল ম্যানচেস্টার সিটিরই। ঘরের মাঠে শনিবার বার্নলিকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সিটি।
চলতি মৌসুমে হারের বৃত্তে আটকে পড়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। যার ফলে শিরোপার লড়াই থেকে দূরে সরে গেছে গার্দিওয়ালার শিষ্যরা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে আর্সেনালের মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে গত দুই মৌসুম ধরে আলো ছড়িয়ে চলেছেন আর্লিং হালান্ড। তার পুরস্কারও ঘরে তুলেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড।
আর্লিং হালান্ড মাঠে নামবেন, আর গোল পাবেন না এমনটা খুব কমই হয়েছে। গত মৌসুমের পারফরম্যান্স এ মৌসুমেও টেনে এনেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ড।
বর্ষসেরা ফুটবলারের প্রাথমিকভাবে মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা।