উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় গত সপ্তাহে আবর্জনার পাহাড় ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩৫-এ পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে ১২ জন বয়সে নবীন, উগান্ডার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।গতসপ্তাহে কাম্পালার উপকণ্ঠে একটি আবর্জনার পাহাড়ের বড় অংশ ভেঙে পড়ে। আবর্জনা ফেলার স্থানটির পাশেই কয়েক ডজন ঘরবাড়ি ছিল। সেখানে বেশ কয়েকজন ঘুমন্ত মানুষ আবর্জনার চাপে পড়ে প্রাণ হারান।
হাড়
কক্সবাজারে পেকুয়া উপজেলায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৮ আগস্ট) ভোরে পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
খাগড়াছড়ির আলুটিলায় সাপমারা এলাকায় পাহাড় ধসে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে যান চলাচল বন্ধ আছে। এতে আটকা পড়েছে বহু যানবাহন। শনিবার সকালে খাগড়াছড়ি-আলুটিলা সড়কের সাপমারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বাঙালির রান্নাঘরে শাকের কোনো কমতি নেই। পালং শাক, কলমি শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, কচু শাক, সর্ষে শাক, পাট শাক কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবেন।
ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহড়ি ঢলে কুড়িগ্রামে দ্রুত বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এতে নতুন নতুন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে জেলার বন্যা কবলিত চরাঞ্চলের মানুষের।
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।বুধবার (৩ জুলাই) ভোররাতে উখিয়ার ৮ ও ১১নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। মৃত দুজন হলেন, মোহাম্মদ সিফাত (১৩) ও ৮ ইস্ট-এর বালুখালী জুমেরছড়ার আনোয়ার ইসলাম (২৭)।
কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়ে গেছে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল। পানিতে তলিয়ে গেছে বাঘাইছড়ি-বাঘাইহাট সড়ক। ফলে সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন ৭ শতাধিক পর্যটক।
খাগড়াছড়ির আলুটিলার সাপমারা এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রায় ৪ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে জমির ড্রেন পরিষ্কার করতে গিয়ে পাহাড় ধসে আবু বক্কর (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
ঋণ দেওয়া বা গ্রহণ করা অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে মাত্রাতিরিক্ত ঋণের বোঝা বহন করা অনুচিত।