কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে দাপট দেখিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল ভারত। কিন্তু পরের সিরিজেই মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতে হলো রোহিত-কোহলিদের। নিজেদের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে আকাশী-নীলরা। তৃতীয় ম্যাচে ভারতকে ২৫ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে কিউইরা।
- গাজায় প্রতি রাতে ৩০-৪০ ফিলিস্তিনিকে হত্যার আহ্বান ইসরাইলি মন্ত্রীর
- * * * *
- বেলজিয়ামে রেকর্ড দাবানল, জার্মান সীমান্তে সতর্কতা
- * * * *
- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সিনেটরের তোপের মুখে ট্রাম্প
- * * * *
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ৬ দিনব্যাপী ভর্তি মেলা শুরু
- * * * *
- বরিশালে ইউএনও কার্যালয়ে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
- * * * *
হোয়াইটওয়াশ
বাংলাদেশি বোলারদের তুলোধুনো করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহ করেছে ভারত। শনিবার হায়দরাবাদে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে ২৯৭ রান করেছে তারা। এর মধ্যে ৪৭টি বাউন্ডারি মেরেছে তারা। যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।
বৃষ্টির কারণে প্রায় আড়াই দিন বন্ধ ছিল কানপুর টেস্টের খেলা। তাই অনেকেই ভেবে নিয়েছিল ড্র হতে যাচ্ছে এই ম্যাচ। কিন্তু শেষ দুই দিনে রোহিত শর্মার দল যা করে দেখিয়েছে তা ইংল্যান্ডের বাজবলকেও হার মানিয়েছে।
আগের ম্যাচ যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই যেন ফের শুরু করলেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। আরেকটি দারুণ ইনিংস খেললেন তিনি। তবে দলের আর কেউ ব্যাট হাতে দাঁড়াতেই পারলেন না সেভাবে। চমৎকার বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে অল্পে গুটিয়ে দেওয়ার পর এইডেন মার্করামের ফিফটিতে বড় জয় পেল দক্ষিণ আফ্রিকা।
বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নেওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। আর এই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সারতে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। কাগজের কলমে ‘এ’ দলের সফর হলেও, স্কোয়াড সাজানো হয়েছে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে। তাই লঙ্কান ‘এ’ দলের বিপক্ষে একক আধিপত্য দেখিয়ে যাচ্ছিলেন জ্যোতি-রাবেয়ারা।
ইতিহাস গড়ে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেছে টিম টাইগার্স। আর সেই জয়ের আনন্দ নিশ্চয়ই উপভোগ করছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে রাওয়ালপিন্ডিতে মাঠে নামার আগে বাংলাদেশের পরিসংখ্যানের খাতাটা ছিল পুরোই ফাঁকা। ১৩ টেস্টে মুখোমুখি হয়ে মাত্র একটি ড্র করেছিল বাংলাদেশ। আর বাকি ১২টিতেই হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়েছিল টাইগারদের। তবে প্রথম টেস্টেই পাকিস্তানকে ১০ উইকেটে হারিয়ে তাদের বিপক্ষে জয়ের খরা কাটিয়েছিল বাংলাদেশ। সেইসঙ্গে টাইগারদের সামনে সুযোগ আসে পাকিস্তানের মতো বড় দলের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের।
সিরিজ জয় নিশ্চিত হয়েছিল আগেই। শেষ ম্যাচ থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চাওয়া ছিল কিছু। জয়ের ধারা ধরে রাখা তো বটেই, বিশ্বকাপের আগে জনসন চার্লস ও শামার জোসেফদের ছন্দে ফেরার অপেক্ষাতেও ছিল তারা। জোসেফ দারুণ বোলিং করলেন, চার্লসের ব্যাটে দেখা গেল তাণ্ডব। ক্যারিবিয়ানদের সিরিজ জয় পূর্ণতা পেল দক্ষিণ আফ্রিকাকে হোয়াইটওয়াশ করে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৮ উইকেটে বিধ্বস্ত করে তিন ম্যাচের সিরিজের সবকটি ম্যাচ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খুইয়েছে বাংলাদেশ। যার জন্য ব্যাপক সামালোচনার শিকার হতে হয় ক্রিকেটারদের।