পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার এবং নিয়ন্ত্রিত জীবনধারাই হল সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। পাশাপাশি জটিল রোগ, যেমন- ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে এই অভ্যাস। বিশেষত যে সকল খাবারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে ভরপুর পরিমাণে তা নিয়মিত খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
- কোভিড-১৯ টিকার ভুয়া সনদ নেওয়ায় দল থেকে বাদ সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক
- * * * *
- খিলগাঁও থানায় ওসিসহ দুই পরিদর্শককে বদলি
- * * * *
- আগামীকাল ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
- * * * *
- জাপানে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা
- * * * *
- মাথাভাঙ্গা নদী থেকে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
কমায়
কথায় আছে, ‘অ্যান অ্যাপেল আ ডে কিপস ডিজিজ অ্যাওয়ে’। আর এই বাক্যকে একদম ফুল মার্কস দিচ্ছেন পৃথিবীর প্রথম সারির সব চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদরা।
দাবানলের সামনে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ে৷ চিলির এক অঞ্চলে এক জীববিজ্ঞানী বুদ্ধি খাটিয়ে বেশ সহজ উপায়ে আগুনের প্রসার থামানোর ‘ফায়ারব্রেক’ সৃষ্টি করছেন৷ সফল প্রয়োগের পর বাকিদেরও সেই কৌশল শেখাচ্ছেন তিনি৷
নানা কারণে কিডনির সমস্যা হতে পারে। সাধারণত কম খাওয়া, দীর্ঘ ক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখা, বাইরের খাবার বেশি করে খাওয়া— এমন কিছু কারণেই কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। শুধু পাথর জমা নয়, কিডনিতেও আরও নানা ধরনের সংক্রমণ হতে পারে।
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, রমজানের শুরুতে মানুষ হুমড়ি খেয়ে বাজার কেনে তাই কিছুটা বাজার ঊর্ধ্বগতি হয়, তবে তা ক্রমান্বয়ে কমে এসেছে। দাম কমায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শিথিল করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা মূল্য পায়।
গাজর একটি শীতকালীন সবজি হলেও এখন প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণে ভরপুর গাজর কাঁচা ও রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়।
ব্রকলি খুবই স্বাস্থ্যকর একটি সবজি। দেখতে অনেকটা আমাদের ফুলকপির মতো। বিদেশে সবজি হলেও এখন বাংলাদেশেও উৎপাদন হচ্ছে। ক্যালোরি খুবই কম, অথচ ভিটামিন খনিজ ও অন্যান্য উপাদানে ভরপুর এটি। একাধিক পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ব্রকোলি।
একাধিক গবেষণার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানিরা জানিয়েছেন, আজকের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে শরীর বাঁচাতে বেদানার রসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে বেদানার ভিতরে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আরও নানাবিধ শক্তিশালী উপাদান দেহে প্রবেশ করা মাত্র প্রতিটি কোষ, শিরা এবং উপ-শিরাকে, সেই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে তোলে।
রোগ নিরাময়ের জন্য মধু কখনো এককভাবে, আবার কখনো ভেষজ দ্রব্যের সঙ্গে মিশ্রিত করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় সফলতার সাথে ব্যবহার হয়ে আসছে। জার্মান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ই কচ বলেছেন, ‘উপযুক্ত ঘাস খেয়ে ঘোড়া যেমন তেজী হয় তেমনি নিয়মিত সকালে এক চা-চামচ করে খাঁটি মধু খেলে হৃদপিন্ড শক্তিশালী হয়।
ধুমপান ও মদপানের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায় এবং ফ্লু, করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধে দেয়া টিকার কার্যকারিতাকে কমিয়ে আনে।