সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি পান করলে শরীরে দ্রুত পুষ্টি ও শক্তি জোগায়।
কিশমিশ
কুয়াশা ঘেরা শীতের সকালে শুষ্ক আর ঠান্ডা আবহাওয়ায় নাজেহাল হয়ে পড়ছেন? তাহলে দিনের শুরুটা করতে পারেন কিশমিশ দিয়েই।
মিষ্টি কিশমিশ আমাদের অনেকের কাছেই পছন্দের? কিশমিশ হলো একটি ছোট, মিষ্টি খাবার যার পুষ্টিগুণ অসাধারণ। কিশমিশ কেবল স্বাদেই মিষ্টি নয়; এটি অনেক উপকারিতাও নিয়ে আসে। অনেকে রাতে কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খেয়ে থাকেন।
কিশমিশের পানি তার স্বাস্থ্যকর উপকারিতার কারণে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সারারাত কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করলে তা আপনাকে নানাভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি রক্তে লাল কণিকার পরিমাণ বাড়ায় কিশমিশ। শুকনো কিশমিশ খাওয়ার পরিবর্তে ভিজিয়ে খেলে উপকার বেশি।
গরমের সময়ে তাপ তীব্র হওয়ার সাথে সাথে, হাইড্রেটেড থাকা এবং সর্বোত্তম স্বাস্থ্য বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সেজন্য যদিও সাধারণ পানি অপরিহার্য, তবে একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী পানীয় আছে যা আপনি হয়তো খেয়াল করেননি, সেটি হলো কিশমিশ ভেজানো পানি।
ড্রাই ফ্রুট বা শুকনা ফল হিসেবে অনেকেই কিশমিশ খান। তবে পোলাও, পায়েসসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরিতেই এর ব্যবহার বেশি। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরে জাদুর মতো কাজ করে।
ড্রাই ফ্রুট বা শুকনা ফল হিসেবে অনেকেই কিশমিশ খান। তবে পোলাও, পায়েসসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন তৈরিতেই এর ব্যবহার বেশি। পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরে জাদুর মতো কাজ করে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি বৃদ্ধিতে কিশমিশের তুলনা নেই। তাই কিশমিশ ভেজানো পানিকে বলা হচ্ছে ‘সুপার ড্রিংক’।
সুস্বাদু ও উপকারি একটি খাবার কিশমিশ। কিশমিশ ভেজানো পানিকে প্রাকৃতিক শক্তিবর্ধক বলা হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই পানি শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেয়।
বাঙালি রান্নায় কিশমিশের ব্যবহার দেখা যায়। বিশেষত পায়েস কিংবা পোলাও রান্না করলে তাতে এই উপাদানটি মেশালে স্বাদ বেড়ে যায় বহুগুণ। অনেকেই আবার কিশমিশ খান সুস্বাস্থ্যের জন্য। এটি শরীরে শক্তি জোগায়, হাড় মজবুত করে।