যারা বাড়তি মেদ কমাতে চান- তাদের জন্য সুখবর। কষ্টকর জিম বা কঠোর ডায়েট ছাড়াও কমানো যাবে শরীরের মেদ। গবেষকদের বরাতে সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান এমনটাই বলছে।
- তিন দেশে তিন আয়োজন: শাকিরার ‘দাই দাই’ সুরে মেতে উঠবে ২০২৬ বিশ্বকাপ
- * * * *
- নিভৃতেই বাংলাদেশের ‘প্রথম বিশ্বকাপ’ অধিনায়ক
- * * * *
- বার কাউন্সিলের প্রথম রিভিউ বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ : হাইকোর্ট
- * * * *
- আর্জেন্টিনার যে ফুটবলারকে ‘ছিনতাই’ করতে চান ব্রাজিল কিংবদন্তি
- * * * *
- স্মারকলিপি জমা, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের
- * * * *
ডায়েট
শরীর সুস্থ রাখা এবং দীর্ঘক্ষণ কর্মক্ষম থাকার প্রধান চাবিকাঠি হলো সঠিক খাবার। একটি সুষম খাবার বা 'ব্যালেন্সড ডায়েট' শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ঢাল হিসেবে কাজ করে। তবে আমাদের অনেকেরই অজানা যে, দুপুরের বা রাতের খাবারের থালায় ঠিক কোন খাবারটি কতটুকু পরিমাণে থাকা উচিত।
নতুন বছর আসলেই অনেকের মনে প্রশ্ন ওঠে, এবার কি ওজন কমানো সম্ভব? ডিসেম্বর মাসে অতিরিক্ত খাওয়ার পর জানুয়ারিতে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন অনেকেই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এইআই) উপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কতটা বিপদ ডেকে আনতে পারে, তার ভয়াবহ দৃষ্টান্ত সম্প্রতি উঠে এসেছে। চ্যাটজিপিটি-এর দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনে চলতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এক ব্যক্তি।
বর্ষা মৌসুমে পেয়ারা অনেকটাই সহজলভ্য। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, এই মৌসুমে নিয়মিত পেয়ারা খেতে পারেন। খেতে পারেন পেয়ারার সালাদও।
কর্মজীবী মানুষদের দিনের বেশি সময়টাতে থাকতে হয় অফিসে। সেইসঙ্গে অফিসে ব্যস্ত সময়ও পার করেন অনেকেই। শত ব্যস্ততার মাঝে ভুলে যান নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখতে। বিশেষ করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা।
অনেকেই হয়তো শরীরের বাড়তি মেদ নিয়ে চিন্তিত? আপনিও যদি তাদের মধ্যেই হন তাহলে নতুন বছরেই শুরু করে দিতে পারেন ওয়েট লস জার্নি। ওজন কমানোর কথা আসতেই অনেকেই ভাবেন দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকতে হবে কিংবা কঠোর ডায়েট করতে হবে।
যারা মোটা বা যাদের অতিরিক্ত ওজন তাদের অনেকেই একটা অভিযোগ করেন যে, ডায়েট করে আর ব্যায়াম করেও শুকাতে পারছেন না তারা, বা ওজন নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
ডায়েট মানেই খাদ্যাভ্যাসে নানা পরিবর্তন। তেল আর মশলাদার খাবারকে ছুটি বলা। কিন্তু রোজ রোজ সেদ্ধ খাবার খেতে কারই বা ভালো লাগে?
বর্ষায় বিভিন্ন সংক্রমণ জাতীয় রোগবালাইয়ের প্রকোপ বাড়ে। বৃষ্টিতে ভিজে সর্দিকাশি হওয়া তো আছেই, সেই সঙ্গে পেটের গোলমালও লেগে থাকে। এ সময়ে সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে বদল আনা জরুরি।