মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম তাওবা। তাওবার অর্থ হলো আল্লাহর দিকে ফিরে আসা। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ ভালোবাসেন তা পালন করা এবং বাহ্যিকভাবে ও অভ্যন্তরীণভাবে আল্লাহ যে কাজ অপছন্দ করেন তা ত্যাগ করা। তাই তাওবা শুধু গুনাহ ছেড়ে দেওয়ার নাম নয়।
- ইরান আলোচনা করতে প্রস্তুত, তবে দুর্বল অবস্থান থেকে নয়: বিশ্লেষণ
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধেও হরমুজে চলছে ইরানি জাহাজ, খুলছে তেহরানের আকাশপথ
- * * * *
- নতুন রূপে আসছে ‘হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস’
- * * * *
- মাদরাসা শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা জানা গেল
- * * * *
- জেডি ভ্যান্সের ইসলামাবাদ সফর নিয়ে ট্রাম্পের মিথ্যাচার
- * * * *
তাওবা
জীবনের প্রতিটি মোড়ে মানুষ হোঁচট খায়, কখনো প্রবৃত্তির টানে, কখনো অজ্ঞতার অন্ধকারে। কিন্তু যে হৃদয় ভুল স্বীকারে লজ্জিত হয়, যে চোখ আল্লাহর দরবারে কান্নায় ভিজে যায়; সেখানেই ফুটে ওঠে মানবতার সবচেয়ে পবিত্র সৌন্দর্য।
গুনাহের জন্য অনুতপ্ত হয়ে, আল্লাহর দরবারে চোখের পানিতে ক্ষমা চাওয়া- এটাই প্রকৃত তাওবা। তাওবা হলো অন্ধকার পথ ছেড়ে আল্লাহর হেদায়াতের আলোয় ফিরে আসার নাম।
ভুল-শুদ্ধ মিলেই জীবন। ত্রুটিহীন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। জীবনচলার পথে নানা রকমের স্খলন হয়েই যায়। কখনো চেতনে কখনোবা অবচেতনে। তবে সত্যিকার মানুষ কখনো ভুল-ত্রুটিতে অটল ও অবিচল থাকতে পারে না।
মানুষ প্রতিনিয়ত গুনাহ করে—ইচ্ছায়, অনিচ্ছায় কিংবা শয়তানের প্ররোচনায়। এর মধ্যে কিছু গুনাহ রয়েছে, যা তাওবা ছাড়া মাফ হয় না। আবার কিছু গুনাহ এমনও রয়েছে, যা তাওবা-ইস্তিগফার ছাড়াও আল্লাহ তাআলা বিশেষ নেক আমলের বিনিময়ে মাফ করে দেন।
ইসলামের পরিভাষায় তাওবা হচ্ছে- বান্দা কৃত অপরাধের কথা স্মরণ করে আল্লাহর কাছে ইসতিগফার কামনা করত সত্য-সঠিক পথ তথা আল্লাহ ও তার রাসুলের বিধানের দিকে ফিরে আসা।
তাওবা শব্দটি এক মহান শব্দ। এর অর্থ খুবই গভীর। তাওবা এমন নয় যে মুখে শব্দটি বললাম অতঃপর পাপে লিপ্ত থাকলাম।
শয়তানের ধোঁকায় পড়ে মানুষ বারবার গুনাহ করে ফেলে, গুনাহের পথ থেকে সরে আসার জন্য তাওবা করে, আবারও আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়। গুনাহ হয়ে গেলে স্বভাবতই মুমিনরা অনুতাপে ভোগেন, পরবর্তী করণীয় ভেবে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান।
আল্লাহ পৃথিবীতে অসংখ্য প্রাণী সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর কতককে কতকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। মর্যাদার আসনে সমাসীন করেছেন। মর্যাদাপ্রাপ্ত অনন্য একটি সৃষ্টি হচ্ছে বনি আদম তথা মানুষ।