ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জনসমর্থন বাড়ালেও দেশটির রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে খুব একটা পরিবর্তন আনতে পারেনি। এখনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে নেতানিয়াহু প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হতে পারেন বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
- গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল বারবার স্প্যামে যাচ্ছে? গুগল জানাল সমস্যার সমাধান
- * * * *
- ২৪ ঘণ্টা ওয়াইফাই চালু রাখেন? এসির মতো রাউটারও কি বিস্ফোরণ ঘটতে পারে
- * * * *
- সুশান্তের মৃত্যু ‘আত্মহত্যায়’ হয়নি, দাবি সহ-অভিনেতার
- * * * *
- ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামীসহ শ্বশুর-শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা
- * * * *
- চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত
- * * * *
রাজনৈতিক
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভিসা জটিলতার কারণে যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানের জাতীয় ফুটবল দলকে পুরো বিশ্বকাপ চলাকালীন নিজ দেশে অবস্থান করতে দিতে রাজি হয়নি,
আজ (২৪ মে) দুপুরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন ন্যানসি ।
জামায়াতের সঙ্গে জোট করে এনসিপি তাদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেছেন, এ জোটের মাধ্যমে দলটি রাজনৈতিক সতীত্ব হারিয়েছে এবং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
জনপ্রিয়তার দীর্ঘ অধ্যায়কে পুঁজি করে তিনি ধাপে ধাপে গড়ে তুলেছেন এক রাজনৈতিক কাঠামো। এখন সেই কাঠামোই তাঁকে নিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতার কেন্দ্রের দোরগোড়ায়। তিনি দক্ষিণী সিনেমার সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। এই যাত্রা শুধু তার ব্যক্তিগত রূপান্তর নয় বরং তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে।
এ পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা হয়রানিমূলক মোট ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রত্যাহার করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনৈতিক পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছেন দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এমপি আতিক মুজাহিদ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছাড়াও দেশের সচেতন নাগরিক বিশেষ করে উপমহাদেশের বাংলাদেশ নামক এই টেরিটরির মানুষদের পরম্পরায় যে চেতনা ধাবমান বা প্রবহমান আছে তা হচ্ছে অন্যায়, অরাজকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, সরব সোচ্চারতা। ইসলাম ধর্মমতে যার সক্রিয় সমর্থন আছে। যেহেতু কোরআন, হাদিস মোতাবেক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শারীরিকভাবে বাধাদানকারীকে প্রথম শ্রেণির ইমানদার, বাক্যবাণে বাধাদানকারীকে দ্বিতীয় শ্রেণির ইমানদার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরবে ঘৃণা করাকে তৃতীয় শ্রেণির ইমানদার হিসেবে অভিহিত করা হয়। প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ইমানদার হতে গেলে স্বীয় ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী, স্বাধীন হতে হয়।