রমজানের ফরজ রোজা ছাড়াও অনেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য নফল রোজা রাখেন। তবে মাঝপথে এই রোজা ভেঙে ফেললে বিধান কী?
রোজা
কিয়ামুল লাইল একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদত, যা ইসলামে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। আর নফল ইবাদতের ক্ষেত্রে মৌলিক বিধান হলো- এগুলো একাকী আদায় করা।
রমজান মাস মহান আল্লাহর অনন্য নেয়ামতে পরিপূর্ণ। বান্দা তা স্বাচ্ছন্দে পালন করবে। তবে মানুষমাত্রই ভুল করতে পারে বা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।
ইসলামি শরিয়তে রোজাদারকে ইফতার করানো অন্যতম ফজিলতপূর্ণ আমল। রমজানে এই আমলটি বেশ গুরুত্বের সাথে পালন করা হলেও নফল রোজাদারকে ইফতার করানোর বিষয়টি অনেকের অগোচরেই থেকে যায়।
মহিমান্বিত রমজানের শেষে পশ্চিম আকাশে এক ফালি চাঁদ সিয়াম ও কিয়াম সাধনার অভূতপূর্ব পরিসমাপ্তি ঘটায়। উদযাপিত হয় ঈদুল ফিতর।
পবিত্র রমজানের সিয়াম সাধনার পর মুমিনের জীবনে রহমত ও বরকতের নতুন বার্তা নিয়ে আসে শাওয়াল মাস। সাধারণত এই মাসে ‘ছয় রোজা’ রাখার প্রতি মানুষের বিশেষ আগ্রহ থাকে। তবে শুধু রোজা নয়, শাওয়াল মাস হলো রমজানের প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং নতুন করে আধ্যাত্মিক পথচলার সূচনা।
কোনো কারণে রোজা রাখতে অক্ষম হলে ইসলামে তার জন্য ফিদইয়া আদায়ের বিধান রয়েছে। এক দিনের রোজার ফিদইয়া কত এবং কীভাবে তা আদায় করতে হয় এ বিষয়ে ইসলামি শরিয়তে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রমজানের রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ ও সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর রোজা পালন করা আবশ্যক। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)
দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকার পর নারীদের মূল্যায়ন না হলে কষ্ট থেকে যায় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস।
রমজান আমাদের ঘরে আসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে। এই মাস শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের ইবাদতের মৌসুম নয়, এটি শিশুদের হৃদয়ে ঈমানের প্রথম বীজ বপনেরও সুবর্ণ সময়। আজ যে শিশু মায়ের হাত ধরে সাহরিতে জাগে, বাবার পাশে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার চেষ্টা করে, কাল সেই হবে দ্বিনের দায়িত্বশীল বাহক। তাই শিশুদের রোজা ও নামাজে অভ্যস্ত করানো কোনো চাপের বিষয় নয়; এটি ভালোবাসা, প্রেরণা ও ধৈর্যের এক সুকৌশলী যাত্রা।