২০০৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সম্পদের বিবরণী দিয়েছিলেন তাতে মিথ্যা তথ্য ছিল। তখন যদি সেই কমিশন হলফনামাটা খতিয়ে দেখতেন তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন না বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
শিরোনাম
- বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ু সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’
- * * * *
- ইস্টার্ন ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করবে রিং সাইন
- * * * *
- যুক্তরাজ্যে ‘গ্রেট স্কলারশিপ’, বাংলাদেশিদের আবেদনের সুযোগ
- * * * *
- ফাঁকা আসনে চুয়েটে চতুর্থ ধাপের ভর্তি বুধবার
- * * * *
- শাহজিবাজার পাওয়ারের নয় মাসে মুনাফায় বড় উত্থান
- * * * *
হলফনামা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের সম্পদ, আয় ও দায়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় যদি কোনো প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দেয় তাহলে সেটার ব্যাপারে তদন্ত করে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আরো সুনির্দিষ্টভাবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সন্নিবেশ করা হয়েছে।
গত কয়েকটি নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় উল্লিখিত সম্পদের হিসাব নিয়ে নানা আলোচনা- সমালোচনা হলেও, এগুলো নিয়ে খুব একটা ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এমনকি এসব তথ্য আর কোন সংস্থাকে খতিয়ে দেখার মতো পদক্ষেপও নিতে দেখা যায় না।