মহান আল্লাহ বিভিন্ন সময়ে আমাদের পরীক্ষা করেন। দুর্ভিক্ষ, মৃত্যু ও বিভিন্ন মুসিবতের মাধ্যমে আমাদের পরীক্ষা করেন। এটা আল্লাহ তাআলার চিরাচরিত নিয়ম।
ইসলাম
মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির জন্য যখন কোনো কিছু হালাল করেছেন, তখন তা ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করেছেন। অর্থাৎ, আনলিমিটেড। আর যখন কোনো কিছু হারাম করেছেন, তখন একটা একটা নাম ধরে নির্দিষ্ট করে হারাম করেছেন।
একজন জান্নাতি নারী জান্নাতে কাকে স্বামী হিসেবে পাবে, তা নির্ভর করবে দুনিয়ায় চলে যাওয়া তার চার অবস্থার ওপর। কারণ একজন নারী পৃথিবীতে সাধারণত ছয়টি অবস্থার যেকোনো একটি অবস্থায় অবশ্যই থাকবে। এর বাইরে নয়।
মহামারী করোনা শুরু হওয়ার পর থেকে এর সংক্রমণ রোধে মানুষকে সচেতন করতে যেসব বিষয় বিশ্বব্যাপী ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে তার মধ্যে একটি হলো হাঁচি দেয়ার সময় আমরা কী করব : চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন, টিস্যু, রুমাল বা হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরবে।
গুনাহ বা পাপ অন্তরে এক ধরনের একাকিত্ব ও ভয় তৈরি করে। তখন আল্লাহর সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। এবং তার মধ্যে ও অন্য মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে এক ধরনের দূরত্ব জন্ম নেয়।
জাহান্নাম হলো আজাব তথা শাস্তির আবাসস্থল। জাহান্নাম হলো কষ্টের অতল দরিয়া। জাহান্নামের আজাবও কষ্ট কখনো শেষ হবার নয়। আল্লাহ তায়ালা কাফের ও পাপিষ্ঠদের কৃতকর্মের প্রতিদান হিসেবে জাহান্নাম তৈরি করে রেখেছেন।
আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ “সকল সম্প্রদায়ের জন্য আমি কুরবানির বিধান দিয়েছি, তিনি (আল্লাহ) তাদেও জীবন উপকরণ স্বরূপ যেসব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন, সেগুলোর ওপর যেন তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে”---(সুরা হজ; আয়াত: ৩৪)
প্রারম্ভিকাঃ
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন
ঈদুজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ
এলো আবার দুসরা ঈদ,
কোরবানি দে, কোরবানি দে
শোন খোদার ফরমান তাগিদ
মানব সৃষ্টির ইতিহাসের ন্যায় কুরবানির ইতিহাসও অতি প্রাচীন। পবিত্র কুরআনুল কারিমের সূরা মায়েদার ২৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সে ঘটনা এভাবে তুলে ধরেছেন-وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ابْنَيْ آدَمَ بِالْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَاناً فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنْ الآخَرِ قَالَ لأَقْتُلَنَّكَ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللهُ مِنْ الْمُتَّقِينَ
সূচনাঃইসলামে কোরবানির ইতিহাস ইসলামে বেশ প্রাচীন।পৃথিবীর সৃষ্টি লগ্ন থেকে এ প্রথা চলে আসছে।আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) এর পুত্র হাবিল ও কাবিল দের থেকে শুরু হয় যা আজ পর্যন্ত বিদ্যমান।
উপস্থাপনা:
কুরবানি হলো মুসলিমদের একটি ইবাদত যা প্রতি বছর বিত্তবানদের উপর আরোপিত হয় নির্দিষ্ট সময়ে। এবং এ ইবাদাতের মাধ্যমে মুসলমানগণ মহান আল্লাহ তায়ালার নৈকট্য লাভ করে থাকে।
এ ব্যক্তি দূর-দূরান্তের সফর করছে, তার মাথার চুল এলোমেলো, শরীর ধূলাবালুতে মাখা। এ অবস্থায় ঐ ব্যক্তি দু’ হাত আকাশের দিকে উঠিয়ে কাতর কণ্ঠে বলে ডাকছে, হে রব্! হে রব্! কিন্তু তার খাবার হারাম, পানীয় হারাম, পরনের পোশাক হারাম।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজের জামাত শেষে করোনাভাইরাস মহামারী থেকে মুক্তি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়েছে।
প্রথম প্রশ্ন : ভাগে কোরবানি করার বিষয়ে আমাদের সমাজে অনেকগুলো প্রশ্ন প্রচলিত আছে। যেমন ভাগে কোরবানি করা জায়েজ কী না?
কুরবানীর ইতিহাস ও শিক্ষা" বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশিত হয়েছে। শ্রেণী অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা ক ও খ গ্রুপে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়
স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে কোনো মাধ্যমহীন সম্পর্ক ইসলামের অনন্য বৈশিষ্ট্য। তাই নিবিষ্ট মনে কেউ মহান আল্লাহর কাছে আকুতি জানালে তিনি তার ডাকে সাড়া দেন।