গাজায় সব ধরনের মানবিক সহায়তা বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল

গাজায় সব ধরনের মানবিক সহায়তা বন্ধ করে দিলো ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় সব ধরনের মানবিক ত্রাণ প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েল-হামাসের প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষে এই উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি। হামাস যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার অভিযোগ তুলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

রবিবার (২ মার্চ) এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও বার্তা সংস্থা এপি।

গত ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ৪২ দিনের এই যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপ শনিবার দিবাগত রাত ১২টায় শেষ হয়। পূর্ব আলোচনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপ শেষে দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন হবার কথা ছিল। দ্বিতীয় ধাপের মূল দাবি ছিল বাকি জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন করা।

গত ছয় সপ্তাহজুড়ে দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা, দরকষাকষি ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে এসেছে ফিলিস্তিনের এই সশস্ত্র সংগঠনটি। কিন্তু ইসরায়েলের অসহযোগিতামূলক আচরণে তা আলোর মুখ দেখেনি।

এক পর্যায়ে ইসরায়েল জানায়, মেয়াদ শেষে আবারও হামাসের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করবে তারা।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, “জিম্মি সংক্রান্ত চুক্তির প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। ইসরায়েল মেনে নিলেও, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অব্যাহত রাখার জন্য উইটকফের দেওয়া অবকাঠামো মেনে নিতে অস্বীকার করেছে হামাস। এই পরিস্থিতির আলোকে নেতানিয়াহু রবিবার সকালে গাজা উপত্যকায় সবধরনের পণ্য প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

তারা আরও জানিয়েছে, “সব জিম্মি মুক্তি পাবে না- এমন কোনো যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয় ইসরায়েল। যদি হামাস অস্বীকৃতি জানানো অব্যাহত রাখে, তাহলে ওই সিদ্ধান্তের পরিণাম তাদের ভোগ করতে হবে।”

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সহায়তা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ইসরায়েলের ঘোষিত প্রস্তাব বা সহায়তা বন্ধ করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।