১১ দলীয় ঐক্যের লক্ষ্য দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা: মামুনুল হক

১১ দলীয় ঐক্যের লক্ষ্য দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা: মামুনুল হক

সংগৃহীত

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করা।  

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি ) বিকালে শিবচরের ঐতিহাসিক নন্দকুমার মডেল ইনস্টিটিউশন মাঠে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী পীরজাদা সাঈদ আহমেদ হামজালার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় এ কথা বলেন। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে নীতিবান ও আদর্শিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা সময়ের দাবি। মাদারীপুর-১ আসনে পীরজাদা সাঈদ আহমেদ হানজালা একজন যোগ্য ও জনদরদী প্রার্থী। রিকশা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করলে এলাকায় ন্যায়বিচার ও ইনসাফ কায়েম হবে।

জনসভায় সাঈদ আহমেদ হামজালা বলেন, আমি আপনাদের সন্তান। শিবচরের উন্নয়নের পাশাপাশি মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার রক্ষায় আমি কাজ করতে চাই। ইনশাআল্লাহ, রিকশা প্রতীকের বিজয় হলে এই এলাকা হবে একটি মডেল নির্বাচনি এলাকা।

অনুষ্ঠানে ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রিকশা প্রতীকের জয় নিশ্চিত করার জন্য নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সরকারি কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য কর্মচারীরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। সরকার কর্মচারীদের প্রতি সহনশীল হয়ে একটি পে-কমিশন গঠন করেন।  উক্ত কমিশন ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় বরাবর রিপোর্ট দাখিল করায় কর্মচারীরা আশায় ছিলেন পে-কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন হবে।  সম্প্রতি একজন সম্মানিত উপদেষ্টার এক মন্তব্য ‘অর্ন্তবর্তী সরকার পে স্কেল বাস্তবায়ন করবে না’ করার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।

কর্মচারী মো. মুর্তজ আলীর সভাপতিত্বে ও দিলীপ কুমার রায়ের পরিচালনায় অবস্থান ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- মো. জয়নাল আবেদীন, সুযোগ চন্দ্র চন্দ, শহীদুল ইসলাম, মুনতাসির মামুন, মনির হোসেন, স্বপন মজুমদার, মো. নূরুজ জামান, আবুল বাশার, মো. মুছাব্বির আলী, মো. অলি মিয়া, মো. নাহিদ ও শরিফা আক্তার প্রমুখ।