পঞ্চগড়-১ আসনে ৬৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর
ফাইল ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনের ৬৩টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। গত রবিবার তিনি পঞ্চগড় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন।
জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া চিঠিতে ব্যারিস্টার নওশাদ উল্লেখ করেন, পঞ্চগড়-১ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পূর্ববর্তী নির্বাচনের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কিছু কেন্দ্রে ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রভাব বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এসব কেন্দ্রে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রামনগর ইউনিয়নে ছাটবারআউলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটোয়ারী সরকারি পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়দাপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। এছাড়া মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৯ নম্বর বরবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলপুখুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পানবারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বার আউলিয়া মাজার শরীফ উচ্চ বিদ্যালয়, দক্ষিণ সুখ্যাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিতুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়সিংগিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ এই উপজেলার মোট ২৪টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে।
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় গলেহা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, কামাত কুঞ্জ কাজলদিঘী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র, ঘটবর টুনিরহাট দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্র, পতিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাবুরীদুয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডুবানুচী বরকতিয়া দাখিল মাদ্রাসা, পঞ্চগড় টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম মহিলা কলেজ ও দেবনগরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়সহ ২৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া পঞ্চগড় পৌরসভায় পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় (পূর্ব অংশ) জালাসী, নূরুল আলা নুর কাদির মাদ্রাসা, তুলার ডাংগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নতুনবস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার গোপালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালান্দিগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাঝিপাড়া দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, মাঝিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালান্দিগছ ফাজিল মাদ্রাসা, মুনিগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শালবাহান উচ্চ বিদ্যালয়ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রয়েছে।