দূষিত শহরের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার পরিস্থিতি কী?
ফাইল ছবি
নানা কারণে বিশ্বে দিন দিন বায়ুদূষণ বাড়ছে। গত ডিসেম্বর থেকেই মেগাসিটি ঢাকায়ও দূষণের মাত্রা প্রায় সময় বেশিই থেকেছে। তবে কয়েকদিন ধরে শহরটিতে দূষণের মাত্রা ওঠানামা করছে।
শনিবার (৬ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকার স্কোর ১৬৪, যা অস্বাস্থ্যকর বলে গণ্য করা হয়। তবে গত শুক্রবার একই সময় শহরটির স্কোর ছিল ১১৫। এ হিসাবে আজ দূষণের মাত্রা অনেকটা বেড়েছে।
তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঢাকার দিল্লি। এই শহেরর বায়ুমানের স্কোর ১৮৮। আর দশম অবস্থানে থাকা দেশটির আরেকটি শহর কলকাতার স্কোর ১২৪। দিল্লির বাতাসের চেয়ে কলকাতার বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটা কম রয়েছে।
১৬০ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এই শহরের বায়ুমানের স্কোর অস্বাস্থ্যকর হলেও দেশটির আরেকটি শহর করাচির বাতাস অনেকটা ভালো। তালিকার ১৫তম অবস্থানে এই শহরের বায়ুমানের স্কোর ৮৬।
একই সময়ে আরও কয়েকটি শহরের বাতাস অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় রয়েছে। এগুলো হলো- ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা, কঙ্গোর কিনসাসা, চীনের চেংডু, ভিয়েতনামের হেনোয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এমন শহরের মধ্যে রয়েছে- উগান্ডার কামপালা, চিলির শান্তিয়াগো, সৌদি আরবের রিয়াদ, চীনের উহান, নেপালের কাঠমান্ডু।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।