এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলিতে নতুন সিদ্ধান্ত
ফাইল ছবি
এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনলাইনে শুরু হতে দেরি হওয়ায় আপাতত হার্ডকপিতে আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার চালু না হওয়া পর্যন্ত শূন্য পদের বিপরীতে শিক্ষকদের কাছ থেকে ম্যানুয়ালি আবেদন নেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ বুধবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
এতে বলা হয়েছে, আবেদন গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে বদলির প্রস্তাব নির্ধারিত ছকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে। এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব আগামী ৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠাতে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকরা পরিবার ও নিজ জেলা থেকে দূরে অবস্থান করায় নানা ধরনের সামাজিক ও মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হন। শিক্ষকদের এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে সুষম ও স্বচ্ছ বদলি নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ জুন ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করা হয়। নীতিমালার আওতায় সারা দেশের এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলকভাবে সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।
তবে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হয়নি। ফলে নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে বদলি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে সফটওয়্যার চালু হওয়ার আগ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে হার্ডকপিতে আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
নির্দেশনা অনুযায়ী, নীতিমালার ৩.১৯ বিধি অনুসারে জনস্বার্থে বদলির জন্য শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন গ্রহণ করা হবে। পরে এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত ছকে বদলির প্রস্তাব তৈরি করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই শেষে প্রস্তাবগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হবে। স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার চালু হলে পরবর্তী সময়ে বদলি কার্যক্রম নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইন ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে।