আমের আচারের নাম শুনলেই জিভে জল আসে না, এমন বাঙালি মেলা ভার। গরম পরোটা, খিচুড়ি কিংবা বিকালের মুড়ি মাখার সঙ্গে একটুখানি আচার-ব্যস, খাবারের স্বাদ বদলে যায় নিমেষেই।
- ফের বাবা হলেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’র হাবু ভাই
- * * * *
- রামিসা হত্যাকান্ডের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করার দাবি ফুলকুঁড়ি আসরের
- * * * *
- আইকিউওও ব্র্যান্ডের এই ফোনে পাবেন ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি
- * * * *
- চ্যাটজিপিটি ও জেমিনিকে এই ৫টি তথ্য ভুলেও দেবেন না
- * * * *
- স্মার্টফোনে আধুনিক লাইফস্টাইলের ছোঁয়া: ঈদবাজারে ইনফিনিক্সের চমক
- * * * *
আচার
বাইরে টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ, জানালার কাঁচে জমে থাকা জলকণা-এমন এক অলস দুপুরে মনটা নিজেই খুঁজে নেয় আরামদায়ক, গরম গরম কিছু খাবার।
কাঁচা আম পাওয়া যাবে আর আচার তৈরি করে রাখবেন না, তাই কি হয়! এই আচার দিয়েই তো অল্প অল্প করে সারাবছর খাওয়া হবে।
ইলিশের যে পদই রান্না করা হোক না কেন, স্বাদে তা আলাদা মাত্রা যোগ করে। ভাপা, ভুনা কিংবা ঝোলের পাশাপাশি ইলিশ দিয়ে তৈরি করা যায় ভিন্নধর্মী ও সুস্বাদু আচারও।
গাজরের আচার মানেই ঝাল-টকের সঙ্গে ঘরোয়া স্বাদের এক চেনা আনন্দ। খুব বেশি ঝামেলা বা উপকরণ ছাড়াই চাইলে ঘরেই বানিয়ে রাখা যায় এই মুখরোচক আচার।
গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করলে খাবার আরও মুখরোচক হয়ে ওঠে। ইলিশের আচার দিয়ে প্রতিদিনের রান্নায় ভিন্নতা আনাও সম্ভব।
শীত এলেই ঘরে ঘরে আমলকীর আচার বানানোর ধুম পড়ে। কেউ বানান ঝাল, কেউ টক-মিষ্টি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমলকীর আচার বানিয়ে খেলে কি আসলেই এর ভিটামিন সি পাওয়া যায়?
শীতকাল মানেই জ্বর-সর্দি-কাশি। আর এ সমস্যা ঘরে ঘরে চলতেই থাকে। মৌসুমি সংক্রমণ থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করে রসুনের আচার। রসুনের আচার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
চিংড়ি পছন্দ করেন না-এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়। কারও প্রিয় কড়কড়ে চিংড়ি ভাজা, কারও আবার শুকনা চিংড়ির বালাচাও পছন্দ করে।
সাদা ভাত বা খিচুড়ি একটু কাঁচা মরিচ নিয়ে খেতে অমৃত। কিন্তু সেটা যদি হয় অল্প ঝাল আর টকের মিশ্রণে, তাহলে স্বাদ বেড়ে যায় কয়েকগুণ বেশি।