কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীর পৃথক দুটি স্থানে একই সময় গুলি বর্ষণ করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
- জাপানে ডা. শফিকুর রহমানকে বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা
- * * * *
- কুরিয়ার সার্ভিসের গোডাউনে মিলল ৫৬ লাখ টাকার উত্তেজক ওষুধ
- * * * *
- সুনামগঞ্জে বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের চারজনসহ নিহত ৫
- * * * *
- স্কোপাস প্রকাশনায় শীর্ষে নোবিপ্রবি
- * * * *
- লেবাননে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণার আহ্বান হিজবুল্লাহর
- * * * *
আরাকান আর্মি
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদ থেকে চার জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) বিরুদ্ধে।
দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আরাকান আর্মি বড় সমস্যার জায়গা। বাংলাদেশ না পারছে তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে, না পারছে তাদেরকে এড়িয়ে যেতে।
কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে দুটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১১ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
বিজিবির প্রচেষ্টায় মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরলেন আরাকান আর্মির হাতে আটক ছয় জেলে। শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরের দিকে তারা নিজ দেশে ফিরে আসে।
কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউপির তেতৈয়া ঘাট এলাকা থেকে মায়ানমারের বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মির ৬০ জোড়া পোশাকসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যভিত্তিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী বন্দরনগরী কায়াকফিউতে হামলা চালিয়েছে।
সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মিয়ানমারের আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে বাংলাদেশ যোগাযোগ রাখছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে মাছ ধরার চারটি ট্রলারসহ ১৯ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়ার দুইদিন পার হলেও এখনও মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির জিম্মাতে রয়েছে। ফলে পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা
কক্সবাজারের টেকনাফে মাছ শিকারের সময় নাফ নদীর মোহনা থেকে চারটি নৌকাসহ ১৯ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।