দেশের আরও ৯টি শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
আলু আমদানি
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চলতি সপ্তাহের ২ কর্মদিবসে ভারতীয় ১৬টি ট্রাকে ৪০৫ টন আলু আমদানি হয়েছে। এর ফলেও কমছেনা খুচরা বাজারে আলুর দাম। বর্তমানে খুচরা বাজারে দেশি বড় জাতের আলু ৩২ টাকায় এবং দেশি ছোট জাতের আলু ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ৯ দিন ধরে আলু আমদানি বন্ধ রয়েছে। দেশের বাজারে দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের এড়াতে ব্যবসায়ীরা ভারতীয় আলু আমদানি বন্ধ রেখেছেন।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে একদিনেই ভারত থেকে ৯৭৭ মেট্রিক টন আলু আমদানি করা হয়েছে। শনিবার (৪ নভেম্বর) ভারতীয় ৩৮ ট্রাকে ৯৭৭ মেট্রিকটন আলু আমদানি হয়েছে এই স্থলবন্দর দিয়ে।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রথমবারের মতো ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে।
সরকার গত ২ দিনে ৪৯ হাজার ৭৫৫ টন আলু আমদানির অনুমতি প্রদান করেছে।৭৭টি আবেদনের বিপরীতে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় আলুর বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগ্রহী আমদানিকারকদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে দেশে হুট করে বাড়ছে নির্দিষ্ট পণ্যের দাম। পেঁয়াজ, চিনি, মুরগি, ডিমের পরে বর্তমানে আলুর বাজারে অস্থিরতা বিরাজমান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, আমরা দেখছি, দু-তিন দিনের মধ্যে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে না এলে আমদানি করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব এখন বিদেশে। গতকাল রাতেও (রোববার) মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আমার এ বিষয়ে কথা হয়েছে।
দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আলু আমদানি করবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান।