‘তাওয়াক্কুল’ বা আল্লাহর ওপর ভরসা করা, এটি মুমিন বান্দার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ইরশাদ হয়েছে-‘আল্লাহ তিনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। অতএব মুমিনগণ আল্লাহর ওপর ভরসা করুক।’ (সূরা আত-তাগাবুন-১৩)
আল্লাহর
আল্লাহর রাসূল সা. পৃথিবীতে ভালোবাসা বিলিয়ে গেছেন। তিনি অন্যদেরকেও হৃদয়ে ভালোবাসা ধারণ করতে বলেছেন। যারা অন্যকে ভালোবাসে আল্লাহ তায়ালাও তাদেরকে ভালোবাসেন বলে জানিয়েছেন।
মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত ইসলামের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। মহানবী সা. ও সাহাবীদের হিজরতের পরেই মদিনা থেকে ইসলাম শক্তিশালী হয়েছে এবং বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে।
নিজের পছন্দনীয় জিনিস অন্যের জন্য বরাদ্দ করার নামই হলো স্বার্থ বিসর্জন। পূর্ণাঙ্গ ঈমানের দাবি হলো অন্য মুসলিম ভাইয়ের জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগ করা।
মুসলমানের বন্ধুত্বের ভিত্তি হতে হবে ঈমান ও ইসলামের ওপর। ভালোবাসা হতে হবে শুধু আল্লাহর তাআলার জন্য।
আল্লাহর সাহায্য ও রহমত লাভ করার একটি উপায় হলো দুনিয়াতে মানুষ ও আল্লাহর অন্যান্য সৃষ্ট জীবদের ওপর দয়া করা। যে নিজে দয়ালু, অন্যদের প্রতি দয়ার্দ্র আচরণ করে, রাহমানুর রাহিম আল্লাহ তাআলাও তার প্রতি দয়ার্দ্র আচরণ করেন।
আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনু আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের এক ব্যক্তিকে সবার সামনে নাজাত দেবেন, তার সামনে ৯৯টি দপ্তর খোলা হবে, প্রত্যেক দপ্তর চোখের দৃষ্টি পরিমাণ লম্বা।
যেসব অভ্যাস মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো হিংসা-বিদ্বেষ। এটি মানুষের চারিত্রিক ত্রুটিও বটে।
কোরআন ও হাদিসে আল্লাহর যেসব গুণাবলির বর্ণনা এসেছে সে সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা আবশ্যক।
ওলি আরবি শব্দ। যার অর্থ বন্ধু, অভিভাবক, নৈকট্য অর্জনকারী। ওলির বহুবচন আওলিয়া। কোরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে ওলি ও আওলিয়া শব্দের ব্যবহার হয়েছে। তুলে ধরা হয়েছ তাদের পরিচয়।