অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার আল-মাগাজি শরণার্থী ক্যাম্পে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাতে এ হামলা চালানো হয়। নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলি
ফিলিস্তিনের গাজায় দুটি ইসরায়েলি ট্যাংক ধ্বংস করেছে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা।
গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ফের হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজায় স্থলঅভিযান গিয়ে সেখানকার স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস যোদ্ধাদের হাতে ১১ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া আরো দুই সেনা গুরুতর আহত হয়েছে।
অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বিমান হামলা টানা তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে অব্যহত। জাতিসংঘের শিশু নিরাপত্তা ও অধিকার বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় দৈনিক হতাহত হচ্ছে ৪২০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু।
গাজায় ৭ অক্টোবর থেকে চালানো ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩ হাজার ১৯৫ শিশু নিহত হয়েছে। ২০১৯ সালে পর থেকে এ পর্যন্ত সংঘাতে বিশ্বে প্রাণ হারানো শিশুর তুলনায়ও যা অনেকটা বেশি।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩ শতাধিক ফিলিস্তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ার সেনাবাহিনীর অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে ৮ সিরীয় সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৭ সেনাসদস্য।
গাজায় চলমান ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে জাতিসংঘের অন্তত ২৯ জন কর্মী নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) স্থানীয় সময় রোববার এই তথ্য জানিয়েছে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বোমা হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল। সেখানে ইসরায়েলের নৃশংস বোমা হামলায় ২৪ ঘণ্টায় ৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো বহুসংখ্যক মানুষ।