২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের শিক্ষক নিয়োগের কাজ করছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। গত ২০ বছরে তারা ১৮টি সাধারণ ও একটি বিশেষ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার আয়োজন করেছে।
এনটিআরসিএ
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত প্রার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় শিক্ষক নিয়োগের পঞ্চম গণবিজ্ঞপ্তির চূড়ান্ত সুপারিশের ফল প্রকাশ করেছে এনটিআরসিএ। বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে এই ফল প্রকাশ করা হয়।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল চলতি এপ্রিল মাসেই প্রকাশ করা হতে পারে।
শিক্ষক সংকট মেটাতে দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় বছরে অন্তত চারবার শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা নিতে বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে আগ্রহী প্রার্থীদের নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের লক্ষ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির বদলে মার্চের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন এনটিআরসিএ সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) আওতাধীন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭২ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। প্রার্থীদের সুপারিশপত্রে উল্লেখিত তারিখের মধ্যে যোগদান করতে বলা হয়েছে।
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থী আবেদন করেছেন। আবেদনের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। ফলে এই নিবন্ধন থেকে সরকারি কোষাগারে কত টাকা জমা হয়েছে সবার প্রশ্ন।
সারদেশের বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে প্রায় লাখের মতো শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। ৫ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে এখনই ৫ম গণবিজ্ঞপ্তি নিয়ে ভাবতে চায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এজন্য আগেভাগেই ফলাফল প্রস্তুত করছে সংস্থাটি।