বিশেষ করে করলা ডাল একটি স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু পদ, যা তেতো স্বাদের সঙ্গে ডালের মোলায়েম ঘ্রাণের চমৎকার সমন্বয় তৈরি করে।
করলা
তেতো স্বাদের জন্য অনেকেই করলা এড়িয়ে চলেন। অথচ একটু ভিন্নভাবে রান্না করলে এই সাধারণ সবজিটিই হয়ে উঠতে পারে অসাধারণ সুস্বাদু এক পদ।
করলা ভাজি তো খাওয়া হয়ই, আপনি কি কখনো গরম ভাতের সঙ্গে ঝাল ঝাল করলার ভর্তা খেয়েছেন?
গরমের দুপুরে এক বাটি তিতা উচ্ছে বা করলা ভাজি অনেকেরই খুব প্রিয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে রক্ত পরিষ্কার রাখা—সবক্ষেত্রেই মহৌষধ হিসেবে কাজ করে। তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে।
করলার রস এমন একটি খাবার যা বেশিরভাগ মানুষের কাছেই পছন্দের নয়। তীব্র তিক্ততার জন্য পরিচিত করলার রস ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া প্রতিকারের অংশ, বিশেষ করে বিপাকীয় স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে। অনেকের মধ্যে প্রতিদিন করলার রস পান করা জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তবে এর প্রভাব সোশ্যাল মিডিয়ার মতো নাটকীয় বা তাৎক্ষণিক নয়।
করলার তেতোভাব অনেকেই পছন্দ করেন। করলা যেমন পেট ঠান্ডা রাখে, তেমনি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।
চুলে খুশকি নেই এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। খুশকির সঙ্গে চুল পড়ছে নিয়মিত। এ নিয়ে আপনার চরম দুশ্চিন্তা।
করলা স্বাদে তেতো হলেও এটি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এই সবজিতে জিঙ্ক, ফোলেট, আয়রনের মতো অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান আছে।
গরমকালে প্রায় সবার ঘরে নানা ধরনের সবজির সঙ্গে করলা থাকে। তিতা স্বাদের এই সবজিটি ভাজি বা তরকারি দুইভাবেই খাওয়া হয়। শরীরের জন্য করলা ভীষণ উপকারি। এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে কম-বেশি সবাই জানেন।
করলার নামটিই শুনলেই এই সবজির তেতো স্বাদে আপনার মুখ ভরে যাবে, তাই না? আমাদের বেশিরভাগই এই সবজিকে পছন্দের তালিকার বাইরে রাখি। আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন কেন এর তিতকুটে স্বাদ সত্ত্বেও, আমাদের বাবা-মা আমাদের এটি খেতে বাধ্য করেন? এর স্পষ্ট কারণ হলো এর দুর্দান্ত পুষ্টিগুণ।