শীতকালে অনেকেই ডাবের পানি খেতে চান না এই ভয়ে যে, শীতে ডাবের পানি খেলে ঠাণ্ডা লেগে যাবে। কিন্তু এটা শুধুই ধারণা। বরং, শীতকালে বেশ উপযোগী ডাবের পানি। এই পানীয় শুধু শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে না, বরং আরো নানা উপকারিতা এনে দেয়।
খেলে
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সুস্থ থাকতে অবদান রাখে। এ ক্ষেত্রে প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে খাদ্যতালিকায় বিশেষ দৃষ্টি রাখা। প্রতিদিন নানা ধরনের খাবার খাওয়া হয় আমাদের। খাবার মুখরোচক হলেও সবই পুষ্টিকর হয় না। কখনো এমন খাবারও খাওয়া হয়, যা স্বাস্থ্যের ক্রমশ ক্ষতি করে থাকে।
আড্ডায় হোক বা অফিসে, এক কাপ গরম চা পেলে চা-প্রেমীরা দ্বিতীয়বার আর ভাবেন না। সারা দিনে ঠিক কত কাপ চা খাওয়া হয়, তা আমরা কেউই হয়তো গুণে দেখি না।
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
সকালের নাস্তা না খাওয়া অনেকের কাছেই অনেকের কাছে একটি সাধারণ অভ্যাস হয়ে গেছে। গবেষণা ও পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের প্রথম খাবার বাদ দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। শরীরে শক্তির জোগান, হরমোনের ভারসাম্য, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা, মেটাবলিজম এ সবই ব্রেকফাস্টের ওপর নির্ভর করে। তাই নিয়মিত ব্রেকফাস্ট না খেলে যে ক্ষতিগুলি ঘটে, তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
শীত এলেই খাবার নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে। তার মধ্যে অন্যতম প্রচলিত একটি হল-শীতকালে শসা খেলে ঠান্ডা-কাশি হয়।
সুস্থ থাকতে রোজ আমলকী খাওয়া একটি দারুণ অভ্যাস। তবে আমলকী তো বারোমাসি পাওয়া যায় না, তাই চাইলেও এই অভ্যাস বছরের পর বছর ধরে বজায় রাখা সম্ভব হয় না।
অনেকের কাছেই ঘুমের আগে এক গ্লাস গরম গুড়ের দুধ আরামদায়ক একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে।
রান্নাঘরের সুগন্ধি মসলাগুলোর মধ্যে এলাচ অন্যতম। শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতে নয়, স্বাস্থ্যের জন্যও এটি সমানভাবে উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন খালি পেটে দুটি এলাচ খাওয়া দেহে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকার এনে দিতে পারে।
দেখতে যেন ছোট্ট রত্নভরা বাক্স! বেদানার লালচে দানাগুলো শুধু চোখ জুড়ানোই নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর।