জিলহজ মাস অতি সন্নিকটে। এ মাসের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। রমজান মাসকে ইবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা সবাই জানি।
জিলহজ মাস
ইসলামের ইতিহাসে জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা এই দিনগুলোর গুরুত্ব বোঝাতে কোরআনে এর নামে শপথ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ফজর কালের। এবং ১০ রাতের।’
কোরবানি একটি বিশেষ ইবাদত। ১০ জিলহজ ফজরের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কারও কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকলেই তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব।
আগামী ১৬ই জুন ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। মিশর সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে।
জিলহজ মর্যাদাপূর্ণ একটি মাস। এই মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা কসম করে বলেন, ‘শপথ প্রভাতের। শপথ ১০ রাতের।’
আরবি হিসাবে সর্বশেষ মাস জিলহজ। অনেক ফজিলতপূর্ণ একটি মাস। এই মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা, মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনায় আল্লাহ তাআলা কসম করে বলেন, ‘শপথ প্রভাতের। শপথ ১০ রাতের।’ (সুরা ফাজর: ১-২)
বছরের প্রতিটি দিনই গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান। কোনো দিনই গুরুত্বহীন বা অবহেলার যোগ্য নয়। তবে কোনো কোনো দিন মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের দিক থেকে অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশি মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের দাবি রাখে। মহিমান্বিত ও ফজিলতপূর্ণ সে দিনগুলোর অন্যতম হলো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন।
সৌদি আরবে আজ পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যেতে পারে। রবিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠকে বসবে।
জিলহজ মাস, আরবি ১২ মাসের সর্বশেষ মাস। এ মাসটি বছরের চারটি সম্মানিত মাসের একটি। অনেক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এ মাস।
জিলহজ মাস ঐতিহাসিক ও ইসলামী শরিয়ত উভয় দৃষ্টিকোণ থেকেই অনেক গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ। আল্লাহ তায়ালার বিধান অনুসারে যে চারটি মাস পবিত্র ও সম্মানিত, তার একটি হলো জিলহজ মাস।