তিস্তা

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নদীপাড়ে আতঙ্ক

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নদীপাড়ে আতঙ্ক

উজানের ঢলে আবারো বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে জেলার পাঁচ উপজেলার নদীপাড়ের বাসিন্দারা আতঙ্কে আছেন। আবারো বন্যার আশঙ্কা করছেন তারা।

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে

কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে

কুড়িগ্রামে সবক'টি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বিশেষ করে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্বাভাবিক রয়েছে তিস্তার পানি, ভাঙ্গন আতঙ্ক

স্বাভাবিক রয়েছে তিস্তার পানি, ভাঙ্গন আতঙ্ক

কয়েক দিন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর তিস্তা নদীর পানি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। বুধবার তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে, আতঙ্কে মানুষ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপরে, আতঙ্কে মানুষ

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা ও ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।

তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে তিস্তা নদীর পানি। ইতোমধ্যে নদীর পানি বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারত কি নতুন করে আলোচনা চায়?

তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারত কি নতুন করে আলোচনা চায়?

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিস্তার জল ভাগাভাগি নিয়ে একটি খসড়া চুক্তির রূপরেখা তৈরি হয়ে আছে প্রায় এক যুগ হতে চলল। যদিও ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, বিশেষ করে পশ্চিববেঙ্গর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির আপত্তির কারণে তিস্তা চুক্তি আজও সই করা সম্ভব হয়নি।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর, হাজারো মানুষ পানিবন্দি

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর, হাজারো মানুষ পানিবন্দি

উজান থেকে নেমে আসা অব্যাহত পাহাড়ি ঢল আর কয়েকদিনের টানা বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপরে

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপরে

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সন্ধ্যায় ৬টায় সেটি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপরে তিস্তার পানি

বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে।