আয়রনের দারুণ উৎস খেজুর। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামও মেলে উপকারী ফলটি থেকে।
তৈরির রেসিপি
বর্তমানে চিকেনের বাহারি পদে মুগ্ধ ছোট থেকে বড় সবাই। মুরগির মাংস দিয়ে বিভিন্ন পদ তৈরি করা যায়। তবে চিকেনের তৈরি ভাজাপোড়া খাবার যেমন, চিকেন ফ্রাই, চিকেন বল অন্যতম।
রসমালাই খেতে পছন্দ করেন ছোট-বড় সবাই। দুধ মালাইয়ে ডুবানো ছোট ছোট তুলতুলে স্পঞ্জ মিষ্টি, যা রসমালাই নামে পরিচিতি।
চিকেন ফ্রাই খেতে কমবেশি সবাই পছন্দ করেন। তবে কখনো কি কোলিয়াদা চিকেন খেয়েছেন? পদটির নাম অদ্ভুত হলেও কিন্তু এটি ঐতিহ্যবাহী এক খাবার।
পাকা আম দিয়ে বাহারি ডেজার্ট তৈরি করে খান কমবেশি সবাই। আম দিয়ে সুস্বাদু সব পদ তৈরি করা যায়।
কাঁঠালের বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। কাঁঠালের বীজ দিয়ে আরও পদ তৈরি করা যায় যেমন- কাবাব, কাটলেট, ক্ষীর, মিল্কশেক, পুডিং ইত্যাদি।
ফলের রাজা আম। বাজারে এখন পাকা আম উঠতে শুরু করেছে। আম দিয়ে সুস্বাদু সব পদ তৈরি করা যায়। তার মধ্যে ম্যাঙ্গো মিল্কশেক, ম্যাঙ্গো আইসক্রিম, ম্যাঙ্গো মাউস, ম্যাঙ্গো কাস্টার্ড, ম্যাঙ্গো লাচ্ছি অন্যতম।
তিল শরীরের জন্য খুবই উপকারী। স্বাসচেতনদের কাছে এই ছোট বীজ সুপারফুড হিসেবে বিবেচিত। এতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড।
মচমচে ছিটা রুটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। গরুর মাংসের ঝোল দিয়েই বেশিরভাগ সময় খাওয়া হয় ছিটা রুটি।
ঈদসহ বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে পাতে কাচ্চি বিরিয়ানি না থাকলে কি চলে! বর্তমানে ছোট-বড় সবারই পছন্দ কাচ্চি বিরিয়ানি। অনেকেই ভাবেন ঘরে কাচ্চি বিরিয়ানি রান্না করা বেশ কষ্টকর, তবে এ ধারণা ভুল।