মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। ফলে পার্থিব জীবনের সব আয়োজন বিদ্যমান থাকলেও সাম্য, মানবিকতা, মনুষ্যত্ব ও কল্যাণকামিতার মতো গুণাবলি হারিয়ে গিয়েছিল। মানুষরূপী মানুষ থাকলেও পৃথিবীতে মনুষ্যত্ব ছিল না, মানুষ মানুষের কাছে নিরাপদ ছিল না। ঐতিহাসিকরা এই সময়কে আইয়ামে জাহিলিয়্যাত বা অন্ধকার যুগ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
নবী (সা.)
মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
ইসলামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র), দারুল আমন (নিরাপদ রাষ্ট্র) ও দারুল খাওফ (ভীতিকর রাষ্ট্র)।
যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মহানবী (সা.) শ্রমিকের মর্যাদা ভালোভাবে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তার কারণ—তিনি নিজেও জীবনে শ্রমের কাজ করেছেন।
যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে পালন করেছে রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।
মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন আল্লাহর দ্বিন কায়েমের মাধ্যমে নতুন জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য।
আল্লাহর কাছে কল্যাণ কামনা ও অকল্যাণ থেকে মুক্তির বিভিন্ন দোয়া বর্ণিত হয়েছে কোরআন ও হাদিসে। আল্লাহর কাছে ভালো কিছু প্রার্থনা ও মন্দ কিছু থেকে মুক্তি চেয়ে কোরআনে একটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। মহানবী (সা.) কাবার সামনে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।
ভালোবাসা মানুষের সহজাত অনুভূতি। মানুষ কোনো কিছুকে ভালোবাসে স্বভাবত, কখনো প্রয়োজনবশত, কখনো উপকার পাওয়ার কারণে।