পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৪ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।
নবী (সা.)
মুসলিমদের প্রতিটি কর্ম আল্লাহর ইবাদত। তবে তা হতে হবে ইসলামের নির্দেশিত পদ্ধতি ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত মোতাবেক। তখন সবকিছুর মতো ঘুমও ইবাদত-পুণ্যে পরিণত হয়।
মুহাম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ: সর্বদা আল্লাহর ওপর ভরসা করো: আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন তিনি বাহনে রাসুল (সা.)-এর পেছনে ছিলেন।
মুহাম্মদ হামিদুল ইসলাম: ছোটদের সঙ্গে মহানবী (সা.)-এর আচরণ ছিল অত্যন্ত কোমল ও বিনম্র। তিনি ছোটদের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতেন- সে সম্পর্কে হাদিসের কিতাবে অসংখ্য বর্ণনা এসেছে।
মহানবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর জন্মদিন উপলক্ষে মুসলিমবিশ্বকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। এক টুইট বার্তায় তিনি বিশ্ববাসীর জন্য কল্যাণ কামনা করে শুভেচ্ছা জানান। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় অনুসারে তুরস্ক ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী (সা.)-এর জন্মদিন হিসেবে উদযাপন করেছে ।
মুফ্তি হেলাল উদ্দীন হাবিবী: রবিউল আউয়াল হিজরী বর্ষের তৃতীয় মাসের নাম। যার অর্থ প্রথম বসন্ত। পৃথিবীতে যে কয়টি কাল বা ঋতু প্রবাহমান, এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম কাল বা ঋতু হলো বসন্তকাল। তাইতো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কবিগণ বিভিন্ন ভাষায় এই ঋতু নিয়ে হাজারো কাব্য রচনা করেছেন।
আজ বুধবার ১২ রবিউল আউয়াল, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। সৌদি আরবের মক্কা নগরে বিখ্যাত কুরাইশ বংশে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন। আবার ৬৩ বছর বয়সে ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দের একই দিনে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।
মহান আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন, আর সুদকে করেছেন হারাম। সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য রেখেছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা। নবুয়তপ্রাপ্তির আগে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-ও ছিলেন একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী।
রাসুল (সা.) নাতিদের ভালোবাসতেন। তাদের দ্বিন শিক্ষা দিতেন। আমল শেখাতেন। মসজিদে নিয়ে যেতেন। ইসলামের প্রতি পূর্ণাঙ্গ আনুগত্যশীল হওয়ার পাঠ দিতেন। জান্নাতি জীবনের সন্ধান দিতেন।
মুফতি মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘ভূপৃষ্ঠের সব কিছুই ধ্বংসশীল, একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া। (সুরা আর রাহমান : ২৬-২৭) আরো ইরশাদ করেন, ‘প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করবে।’ (আলে ইমরান : ১৮৫) অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের মেয়াদ এসে যাবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পিছে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।’ (সুরা আল আরাফ : ২৪, সুরা ইউনুস : ৪৯) কাজেই নবী-রাসুলদেরও মৃত্যুবরণ করা বিধিবদ্ধ।