রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপির আরো ৪৪ নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলা ও মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
নেতাকর্মী গ্রেফতার
বরিশালের গৌরনদীর মাহিলাড়া বাসস্ট্যান্ডে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর এবং যুবলীগ নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করার মামলায় বিএনপির ২ নেতাকর্মীকে সন্দেহজনকভাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে শেরপুরে বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮ দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া এলাকার কাকিলাকুড়া মিশু মডেল একাডেমি মাঠ থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের দাবি নেতাকর্মীরা নাশকতার উদ্দেশ্যে বৈঠক করছিল।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করে বিএনপির তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ভিপি নূরের নেতৃত্বাধীন জেলা যুব অধিকার পরিষদের ৮ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে নাশকতার অভিযোগে জামায়াত-বিএনপির ৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার বেলা ২টার দিকে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা বিএনপির ৮ নেতাকর্মীকে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে রামপালের গোবিন্দপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে বিএনপির এসব নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে ফয়লাহাট ফাঁড়ি পুলিশ।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, দলের মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রাজবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ থেকে নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে রাজবাড়ী পৌরসভার কাউন্সিলর ও জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারজানা আলম ডেইজিসহ ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও ২৪ আসামি পলাতক রয়েছে।
সাতক্ষীরায় নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ তারিকুল হাসান ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. নুরুল হুদাসহ বিএনপি-জামায়াতের আট নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।