পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা ইসলামের মূল ভিত্তি। কিছু বিশেষ কারণে শরীর অপবিত্র হয় এবং তখন গোসল করা ফরজ হয়ে যায়। যেমন, স্ত্রী সহবাস, স্বপ্নদোষ এবং নারীদের হায়েজ ও নেফাসের পর গোসল করা ফরজ।
পবিত্রতা
সর্বসম্মত মত অনুযায়ী ইসলামে পবিত্রতা (তাহারাত) একটি আবশ্যক কাজ। এর মধ্যে ফরজ হলো—পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করা যথা: জানাবাত, হায়েজ ও নিফাসের পর।
সর্বসম্মত মত অনুযায়ী ইসলামে পবিত্রতা (তাহারাত) একটি আবশ্যক কাজ। এর মধ্যে ফরজ হলো—পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করা যথা: জানাবাত, হায়েজ ও নিফাসের পর।
সর্বসম্মত মত অনুযায়ী ইসলামে পবিত্রতা (তাহারাত) একটি আবশ্যক কাজ। এর মধ্যে ফরজ হলো—পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করা যথা: জানাবাত, হায়েজ ও নিফাসের পর।
সর্বসম্মত মত অনুযায়ী ইসলামে পবিত্রতা (তাহারাত) একটি আবশ্যক কাজ। এর মধ্যে ফরজ হলো—পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করা যথা: জানাবাত, হায়েজ ও নিফাসের পর। আর যখন পানি অনুপলব্ধ হয়, কিংবা ব্যবহার করলে ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তখন তার বিকল্প হিসেবে তায়াম্মুম করা যায়।
পবিত্রতা অর্জনের জন্য পানি ব্যবহারের আগে ডিলা-কুলুপ ব্যবহারের বিধান কি?
অন্তরকে বলা হয় দেহের নেতা ও সর্দার। অন্তরের সুস্থতা ও পরিশুদ্ধির ওপর দেহের সুস্থতা ও পরিশুদ্ধি নির্ভর করে।
ইসলামে অজু পবিত্রতা অর্জনের মাধ্যম ও ফজিলতপূর্ণ আমল। নামাজ, তাওয়াফ, কোরআন স্পর্শ করার জন্য অজু অবস্থায় থাকা বাধ্যতামূলক। জিকির, তিলাওয়াতসহ অনেক আমল অজু ছাড়াও করা যায়, কিন্তু অজু অবস্থায় করলে সওয়াব বেড়ে যায়।
তাহারাত বলতে শরীর, কাপড় এবং নামাযের স্থান সবগুলোর পবিত্রতাকেই বুঝায়। শরীরের পবিত্রতা দুইভাবে হয়:
দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার জন্য আত্মার পবিত্রতা অর্জনের বিকল্প নেই। মানুষের আত্মা যখন পৃথিবী ছেড়ে পরকালে যাত্রা করে, তা পবিত্র হলে মহান আল্লাহ ফিরিশতাদের মাধ্যমে তাকে বিশেষ সংবর্ধনা দেন। জান্নাতে অপবিত্র জিনিসের জায়গা নয়, তাই জান্নাতে প্রবেশ করতে হলেও আত্মাকে পবিত্র করতে হবে।