উজান থেকে নেমে আসা অব্যাহত পাহাড়ি ঢল আর কয়েকদিনের টানা বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
পানি
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে ভূরুঙ্গামারীর সাতটি ইউনিয়নের ৪০টি মতো গ্রাম প্লাবিত ও ২০ হাজারের অধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলার ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
অবিরাম বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সবগুলো নদ-নদীর পানি আবারো বাড়তে শুরু করেছে। গত দুদিন ধরে নদীর পানি বাড়লেও এখনও দুধকুমার নদ ছাড়া সবগুলো নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সন্ধ্যায় ৬টায় সেটি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পনিতে ডুবে সাদিয়া খাতুন (৭) ও পলি খাতুন (৭) নামে দুই শিশুর মৃত্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের আমবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ছে।
যমুনা নদীর পানি ক্রমাগত বাড়তে থাকায় ভারতের রাজধানী দিল্লির হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যমুনার পানি বৃদ্ধির পরিমাণ। এরইমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এই নদীর পানি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
সোনালী আঁশ পাট কাটা শুরু হলেও নেই পাটক্ষেতে উপযুক্ত পানি। ডোবা, বিল ও পুকুরে পানি না থাকায় পাট কেটে পঁচানোর জন্য যানবাহন বা মাথায় করে নেওয়া হচ্ছে নদী বা খালে। পাট কাটার সময় ক্ষেতে পানি না থাকায় দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পাট চাষীদের।