পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেনারেল হাসপাতালের অভ্যন্তরে ওষুধের দোকান ও ক্যান্টিন বন্ধের ঘোষণাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হাসপাতালের সেবা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় পাবনা-৫ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্যের তোপের মুখে পড়েন হাসপাতালের কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও নার্সরা।
শিরোনাম
- নারায়ণগঞ্জে লোকালয়ে ঘুরছিল কুমির, এলাকাজুড়ে আতঙ্ক
- * * * *
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮ মামলার আসামি গ্রেফতার
- * * * *
- কলাপাড়ায় পরিত্যক্ত ঘর থেকে লাইনম্যানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
- দেশব্যাপী আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে কোটালীপাড়ায় বিএনপির বিক্ষোভ
- * * * *
- আড়াইহাজারে বায়ুদূষণের দায়ে টেক্সটাইল কারখানাকে জরিমানা
- * * * *
পাবনা জেনারেল হাসপাতাল
পাবনায় করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে। গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১৩৯ জন।
কয়েকদিন থেকে অসুস্থ বোধ করছিলেন মোঃ আব্দুস সালাম। শুক্রবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
পাবনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতলে কাম পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজন সংখ্যক চিকিৎসক সংকটের কারণে পাবনাবাসী কাঙ্খিতমানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আর কতদিন পর পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কাম পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সিটি স্ক্যান মেশিনটি চালু হবে? উদ্বোধনের এক বছর পরও চালু করা যায়নি মেশিনটি।