বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, রমজানের শুরুতে মানুষ হুমড়ি খেয়ে বাজার কেনে তাই কিছুটা বাজার ঊর্ধ্বগতি হয়, তবে তা ক্রমান্বয়ে কমে এসেছে। দাম কমায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শিথিল করা হয়েছে, যাতে কৃষকরা মূল্য পায়।
পেঁয়াজ
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ থাকায় বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের পেঁয়াজের দাম। গত দু’দিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম কেজিতে তিন থেকে চার টাকা করে বেড়েছে। রমজান মাস শুরু হলে আরো দাম বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী ও ভোক্তারা।
নিজ দেশে দাম বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। আর এই নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধে ফের পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। রাজধানীর খুচরা বাজারে দুদিনে কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। যদিও পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশ শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে রপ্তানী করতে সক্ষম হবে।
পাবনা প্রতিনিধি:দাম না পাওয়ায় চাষীদের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে পেঁয়াজ। ১৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করে উৎপাদন খরচও ওঠছে না কৃষকদের। তাই পেঁয়াজচাষীদের চোখে মুখে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হওয়ায় পাবনার সাঁথিয়ার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। ইতোমধ্যে মৌসুমের এই সময় কৃষকরা মাঠ থেকে পেঁয়াজ ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। তবে বাজারে দাম কম থাকায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
পাবনার বাজারে উঠতে শুরু করেছে মৌসুমী চারা পেঁয়াজ। তবে উৎপাদন ভালো হলেও পেঁয়াজের দাম না পেয়ে মন ভালো নেই কৃষকদের। তাদের অভিযোগ, বাজারে যে দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে তাতে ন্যায্যমূল্য তো দূরের কথা, উৎপাদন খরচই উঠছে না।
একদিনের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি প্রকারভেদে ২ থেকে ৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৬ থেকে ১৮ টাকায় এবং দেশি পেঁয়াজ ৩ থেকে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২২ টাকায়। প্রতিদিন দাম কমাতে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বনির্ভর করতে নতুন উদ্ভাবন শুরু করা হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন উন্নত জাতের পেঁয়াজের ফলন বিঘা প্রতি ১০০ মনের উপর উৎপাদন হবে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।