বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ সচল থাকায় বন্যায় তেমন প্রভাব পড়েনি সবজির বাজারে। সবজি মুরগি ও ডিমের বাজারে ভোক্তাদের স্বস্তিতে বাজার করতে দেখা যায়। অপরদিকে এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্চে চাল, পেঁয়াজ ও আলু।
- ওয়ান ব্যাংকে নিয়োগ, ৪৫ বছর বয়সেও আবেদনের সুযোগ
- * * * *
- এনসিসি ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, স্নাতক পাসেই আবেদন
- * * * *
- লেবাননে ইসরাইলের হামলা চলছেই, নিহত আরও ৮
- * * * *
- ইবি’র সুন্দরবন ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি এখলাছ, সম্পাদক মাশুক
- * * * *
- প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
- * * * *
পেঁয়াজ
বৃষ্টির বিকেলে বা সন্ধ্যায় গরম গরম পেঁয়াজু খাওয়ার মজাই আলাদা। আর সেই পেঁয়াজু যদি হয় মাছের, তাহলে তো কথায় নেই!
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে গত ৬ দিনে প্রায় ১ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ মে) থেকে মঙ্গলবার (১৪ মে) পর্যন্ত এ পরিমাণ ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।
দীর্ঘ পাঁচ মাস পর পেঁয়াজ আমদানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরও সেদেশের নতুন শুল্ক জটিলতায় পেঁয়াজ আমদানি করছেন না বাংলাদেশের আমদানিকারকরা। ব্যবসায়ীদের দাবি ভারতের সকল শর্ত মেনে পেঁয়াজ আমদানি করলে বাজারে বর্তমান দামের চেয়ে অনেক বেশি পড়বে। যার জন্য হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছে বন্দরের প্রায় ৮টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান। ভারত সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর আমদানির অনুমতি দেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের খামারবাড়িতে ইমপোর্ট পারমিটের (আইপি) জন্য আবেদন করার পর তাদের এই অনুমতি দেওয়া হয়।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির খবরে এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। কেজি প্রতি ১০ টাকা কমে বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ হিলির খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। যা গতকালকে বিক্রি হয়েছিল ৭০ টাকায়। ভারত পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দিয়েছে যার ফলে মোকামে কমেছে দাম বলছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের কারণে দিনাজপুরের হিলিতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে দেশি পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত, তা প্রায় পাঁচ মাস পর তুলে নিয়েছে দেশটি।শনিবার (৪ মে) দেশটির বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণবিষয়ক কেন্দ্রীয় সংস্থা ডিরেক্টোরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেডের (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। রপ্তানির জন্য প্রতি টন পেঁয়াজের ন্যূনতম মূল্য (মিনিমাম এক্সপোর্ট প্রাইস-এমইপি) ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করে দিয়েছে ডিজিএফটি।
বাংলাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার ছয়টি দেশ- সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভুটান, বাহরাইন, মরিশাস এবং শ্রীলংকায় ৯৯ হাজার ১৫০ টন পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের সরকার।
বাংলাদেশসহ মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার ছয়টি দেশে ৯৯ হাজার ১৫০ টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছে ভারতের সরকার। শনিবার দেশটির ভোক্তা, খাদ্য ও জন বিতরণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পেঁয়াজ রপ্তানির সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।