পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন ও বাণিজ্য-নির্ভর সবুজ প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।
প্রবৃদ্ধি
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে। একই সঙ্গে বছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭ থেকে ১০ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।
মার্চ মাসে দেশের রপ্তানি আয় ১১.৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালের মার্চ মাসে এ আয় ছিল ৩.৮১ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক। গত জুন মাসে সংস্থাটি বলেছিল, এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর আগে একই ধরনের তথ্য দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে পোশাক রপ্তানিতে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের।
দেশের বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি কমে ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। গত আগস্ট মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ বিতরণে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার চার শতাংশে নামিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম পূর্বশর্ত বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ সৃষ্টি। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বিশ্ব ব্যাংকের 'ease of doing business' কার্যক্রমের আত্ততায় ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মোট ৫৫টি সংস্কার বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কিছুটা কমিয়ে আনল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
২০২৩ অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার হবে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ দেখিয়ে ছিল বিশ্বব্যাংক। তবে সংস্থাটি জানায় এ বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক শতাংশ হবে।মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।