২০২৩ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি ৬ শতাংশে নেমে আসবে বলে জানিয়েছে আন্তার্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
প্রবৃদ্ধি
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ৬ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আভাস দিয়েছিল সংস্থাটি।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্থিতিস্থাপক অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির আনুমানিক বৃদ্ধির কথা বলেছে তবে তারা সতর্ক করেছে যে- ক্রমাগত চ্যালেঞ্জ মধ্যমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গিকে কমিয়ে দিচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও সহনশীল করতে এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘ দিনের কাঠামোগত সমস্যার সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
বাংলাদেশে রফতানি আয় বাড়লেও তা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। আর রফতানি আয় মূলত ধরে রেখেছে তৈরী পোশাক খাত। এই খাতে রফতানি আয় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০.২৭ শতাংশ। বিদায়ী অর্থবছরে রফতানি আয়ের ৮৪.৫৭ ভাগই এসেছে পোশাক খাত থেকে।
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সর্বশেষ প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে যে চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে, অর্থাৎ জুলাই-২০২২ থেকে মার্চ-২০২৩ -এ বাংলাদেশের পোশাক রফতানি প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে। যে কারো মানদণ্ড অনুসারে একটি চিত্তাকর্ষক অর্জন
২০২৩ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে এবং আগামী ৫ বছর প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩ শতাংশ থাকবে বলে জানিয়েছেন আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিভা।
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে ৫.২ শতাংশ হবে। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি, কঠোর আর্থিক অবস্থা, বিঘ্নিত আমদানি নিষেধাজ্ঞা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে প্রবৃদ্ধি হ্রাস পাবে। তবে আগামী অর্থবছর প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশে উঠবে বলে আশা করছে আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থা বিশ্বব্যাংক।
চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২২ সালে ৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার দেশটির সরকারি উপাত্ত থেকে এ কথা জানা গেছে। খবর এএফপি’র।