বরিশাল-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রার্থিতা
ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী শামীম হক হাইকোর্টেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি। তার প্রার্থিতা বাতিলে নির্বাচন কমিশনের দেয়া সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।
প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন বরিশাল-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন জাতীয় নেতা শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরিবারের সদস্য সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু। একই সঙ্গে চাচাত ভাই মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ সাফায়েতুল ইসলামকে সমর্থন দিয়েছেন।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে গিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ছয়জন প্রার্থী।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন কাল (১৭ ডিসেম্বর)। বৈধ প্রার্থীরা এদিন বিকেল ৪টার মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে পারবেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা প্রার্থীদের আপিলের শুনানি শেষ দিন ছিল আজ। আপিল করে ছয় দিনে ২৮০ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেলেন।
বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাম্মী আহম্মেদের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্যের প্রার্থিতা বাতিলে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছেন ২৫ প্রার্থী।
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিকল্পধারার (বিডিবি) যুগ্ম-মহাসচিব মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর (মাহি বি চৌধুরী) মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।