পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কপ-২৬ সম্মেলনে জোরালো ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে সফল হয়েছেন।
বায়ু
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, কপ২৬ সম্মেলনে ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা গৃহীত হওয়া বাংলাদেশের জলবায়ু কূটনীতিতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের ফলাফল। তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের নেতৃত্বে সবচেয়ে বেশি ৪৮টি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানদের দ্বারা ঢাকা-গ্লাসগো ঘোষণা গৃহীত হওয়া জলবায়ু কূটনীতিতে আমাদের দেশের অগ্রণী ভূমিকার ফল।’
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোয় চলছে জলবায়ু সম্মেলন। শেষ হবে ১২ নভেম্বর। এ সম্মেলনে সুখবর পেল বাংলাদেশ।
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ঠেকাতে কপ-২৬ সম্মেলনে যেসব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে গ্লাসগোতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী। এ বিক্ষোভে তরুণদের পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
তীব্র তাপদাহ, অতি বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, খরা, মরুভূমিতে পরিণত হওয়া বা অতিরিক্ত লবণাক্ততায় হারানো কৃষিভূমি- আবহাওয়ার এমন চরমভাবাপন্নতা আজকের পৃথিবীতে ‘নতুন স্বাভাবিক’ ঘটনায় পরিণত হয়েছে৷
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হওয়া বহুল প্রতীক্ষিত ‘কপ২৬’ জলবায়ু সম্মেলনের ফলাফলে প্রভাব ফেলবেন, বিশ্বের এমন শীর্ষ পাঁচজন বিশ্ব নেতাকে ‘ডিলমেকারস’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন-ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেছেন, জলবায়ুর সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বিশ্ব নেতাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার পরিবর্তে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে চলমান কপ২৬ জলবায়ু সম্মেলনে চীন ও রাশিয়ার নেতারা অংশ না নেয়ায় সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
পরিবেশবাদী কর্মী গ্রিটা থানবার্গ তরুণ বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, কপ-২৬ সম্মেলনে উপস্থিত রাজনীতিকরা ‘আমাদের ভবিষ্যতকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার ভান করছেন।’ মঙ্গলবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।