উচ্চ রক্তচাপ কমাতে অনেকেই নানা ওষুখ খেয়ে থাকেন। সেই ওষুধ যে একবার খেয়ে মুক্তি পাওয়া যায়, তাও নয়। বছরের পর বছর খেয়েই যেতে হয় সেই ওষুধ। কিন্তু ওষুধ ছাড়াও এ থেকে মুক্তি সম্ভব। এমনই বলছে গবেষণা।
রক্তচাপ
ব্যস্ততা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে স্ট্রেস। আর এর সঙ্গেই পরোক্ষভাবে জড়িয়ে থাকে শারীরিক নানা অসুবিধা। যেমন উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা। ডাক্তাররা জানাচ্ছেন স্ট্রেস এবং হাইপারটেনশন থেকেই উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়। এর থেকেই হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকও হতে পারে যেকারও।
ওজন কমাতে চান? ভাবছেন, খাবারের তালিকা থেকে প্রথমেই বাদ দেবেন আলু? অনেকেরই ধারণা, আলু খেলেই মেদের বোঝা বাড়ে। এই ধারণাটা সম্পূর্ণ ঠিক নয়।
শুধু রক্তচাপ বাড়লেই না, প্রেসার বা রক্তচাপ লো হয়ে গেলেও অনেকেই চিন্তায় পড়েন! আর উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে কোনো অংশেই কম বিপদের নয়।
নিঃশব্দে আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে হাইপারটেনশন। সময় মতো ব্যবস্থা না নিতে পারলে এই রোগ প্রাণঘাতীও হতে পারে।
শতকরা ৯৫ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে এই রোগের কারণ কী তা সুনির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল।
প্রতিদিনের উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয় যদি সেটি ঘুমাতে যাওয়ার আগে গ্রহণ করা হয়।
উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি অবস্থা যখন রক্তনালীর বেষ্টনীর বিরুদ্ধে রক্তের চাপ খুব বেশি হয়। ফলে হৃদযন্ত্র এবং রক্তনালীকে বাড়তি কাজ করতে হয়। এতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।