সুদানের যুদ্ধবিধ্বস্ত দারফুর অঞ্চলে একটি হাসপাতালে সশস্ত্র হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।
সুদানে
সুদানে নতুন করে কলেরার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির দারফুর অঞ্চলে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সুদানের পশ্চিমাঞ্চলের অবরুদ্ধ শহর এল-ফাশেরে গত এক সপ্তাহে অন্তত ৬৩ জন মারা গেছেন অপুষ্টিতে, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। রবিবার উত্তর দারফুর প্রদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে এই তথ্য জানান।
সুদানের জন্য সহায়তা তহবিল সংকোচনের কারণে দেশব্যাপী অপুষ্টি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।
সুদানের উত্তর-পূর্বে একটি ঐতিহ্যবাহী সোনার খনির আংশিক ধসে ১১ জন খনি শ্রমিক নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি।
সুদানের রাজধানী খার্তুমে কলেরার প্রাদুর্ভাবে দুই দিনে ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
দক্ষিণ সুদানের উত্তরের শহর ওল্ড ফ্যাঙ্গাকে চালানো এক বিমান হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সহায়তাদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ)।
উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের অবরুদ্ধ এল-ফাশের শহরে আধা-সামরিক বাহিনীর হামলায় ৩০ জনের বেশি বেসামরিক নিহত হয়েছেন। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুর অঞ্চলে এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন।
সুদানে দুই বছরের গৃহযুদ্ধের কারণে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে দেশটি।
সুদানের দারফুরের দুর্ভিক্ষপীড়িত শরণার্থী শিবিরে বর্বর হামলা চালিয়েছে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। এতে অন্তত শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে ২০ জন শিশু ও নয়জন মানবিক সহায়তাকর্মীও রয়েছেন।