সুদানে যুদ্ধের চার মাসে নৃশংস সংঘাতের ফলে লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নেতারা।
সুদানে
যুদ্ধবিধ্বস্ত সুদানের দারফুর অঞ্চলে সেনাবাহিনী এবং আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ
ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুদানে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। ঈদের দিনও হামলা-পাল্টা হামলা হয়েছে আফ্রিকার দেশটিতে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি এবং ইউএন ইন্টিগ্রেটেড ট্রানজিশন অ্যাসিস্ট্যান্স মিশন (ইউএনআইটিএএমএস) প্রধান ভলকার পার্থেসকে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি’ ঘোষণা করেছে সুদান।
সৌদি আরব এবং আমেরিকার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি আরেকটু বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। দেশ দুটি সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনার সাপেক্ষেই তারা এই বিবৃতি জারি করছে। দুইপক্ষ আরো পাঁচদিন যুদ্ধবিরতি মেনে নিয়েছে।
সোমবার যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করেছিল সুদানের যুযুধান দুই পক্ষ। মঙ্গলবার তা অমান্য করেই দুপুর পর্যন্ত তারা লড়াই চালিয়ে গেছে। তবে বিকেলের পর থেকে ধীরে ধীরে লড়াইয়ের তীব্রতা কমেছে।
সুদানে লড়াইরত সামরিক বাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী ফের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।রোববার (২১ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া সুদানের সেনাবাহিনী এবং র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) আধাসামরিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৮২২ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় চিকিৎসকরা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
সুদানে বিবদমান দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা সমঝোতা আলোচনা করতে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। শনিবারই সুদান সেনাবাহিনী ও দেশটির আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমঝোতা আলোচনা পূর্বক বৈঠক হওয়ার কথা।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, সুদানের রাজধানী খার্তুমে ত্রাণ-সহায়তা পৌঁছে দিতে তারা সংগ্রাম করছে। আর অনেক এলাকায় তারা তীব্র সংঘর্ষ দেখছে এবং একাধিক ব্যর্থ অস্ত্রবিরতি প্রত্যক্ষ করেছে।