চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাসের সঙ্গে মিনিবাসের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সড়কে ঝরল
ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও নগরকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১ জন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলার নওপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে একটি বাস মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে দুই জনের মৃত্যু হয়।
ঈদের দিন দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কের বিরামপুরে বাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ দুইজন মারা গেছেন।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় কাঠবোঝাই ট্রলির তলায় পড়ে বাবা-ছেলে নিহত হয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে আবুল কালাম আজাদ ভূঁইয়া (৫৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ঈদের দিন সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে অধিকাংশ মোটরসাইকেল আরোহী।
ছুটির দিনে শনিবার দেশের ১৩ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর পুঠিয়ায় একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫, চট্টগ্রামে একসঙ্গে ৩ জন, সাতক্ষীরায় ভারতীয় দম্পতি, ফেনীতে শিশুসহ ২ জন, ময়মনসিংহে শিশুসহ ২ জন, মুন্সীগঞ্জে নানী-নাতি, রাজবাড়িতে ২ জন, লালমনিরহাটে একজন, গোপালগঞ্জে ২ জন, দিনাজপুরে ২ জন, রংপুরে একজন, মানিকগঞ্জে একজন, বেনাপোলে একজন ও গাজীপুরে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ ২ জনের প্রাণ গেছে।
ঈদে ফাঁকা সড়কে যানবাহন চলাচলে গতির প্রতিযোগিতা বেড়েছে। এতে ঈদের আগে ও পরে ছয় দিন সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ।
ভারতের গুয়াহাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আহত তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।সোমবার (২৯ মে) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।