বাংলাদেশের ইসলামি অঙ্গনে ইদানীং এক অস্বস্তিকর পরিবেশ লক্ষ করা যাচ্ছে। ধর্মীয় বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনার পরিবর্তে কিছুসংখ্যক আলেম ও বক্তার মধ্যে পারস্পরিক অসংযত বিষোদ্গার ও ব্যক্তিগত আক্রমণের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।
- সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রীর ‘ঘনিষ্ট সহযোগী’ নুর আলম গ্রেপ্তার
- * * * *
- কাউয়াদিঘী হাওরে ধানবোঝাই নৌকাডুবি, প্রাণ গেল শ্রমিকের
- * * * *
- তিন দিনেও খোঁজ মেলেনি স্কুলছাত্র সৌরভের
- * * * *
- রাজশাহীতে ড্রাম্প ট্রাকের চাপায় পথচারী নিহতের ঘটনায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর
- * * * *
- ঈদে ‘রিয়া’ মানি ট্রান্সফার থেকে বিকাশে রেমিট্যান্স গ্রহণে ক্যাশব্যাক
- * * * *
আলেমদের
ইসলামে ‘ইলম’ বা দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা একটি শ্রেষ্ঠ ইবাদত। কোরআন ও সুন্নাহতে আলেমদের ‘নবীদের উত্তরাধিকারী’ হিসেবে উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে এই সুউচ্চ মর্যাদার সমান্তরালে রয়েছে কঠিন দায়িত্ব ও জবাবদিহিতার ভয়।
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের সঙ্গে আলেমদের বিরোধ রাজনৈতিক নয়, আদর্শিক। তাদের ভুল আকিদার বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব। যুগে যুগে আলেমরা বক্তব্য-লেখনীর মাধ্যমে সেই ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করেছেন।’
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, আলেমদের রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসতে হবে।
দেশের বিজ্ঞ আলেম-ওলামাদের নিয়ে কোনো অশোভন মন্তব্য না করতে দলীয় নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই জাতিকে সঠিক পথে পরিচালনার সক্ষমতা যাদের রয়েছে, তারা হলেন আলিম-উলামা।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী দেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়-অনাচার, জুলুম-নির্যাতন, অপশাসন-দুঃশাসন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ উৎখাত করে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আধুনিক ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আপোষহীন ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পবিত্র কোরআনের একাধিক আয়াতে মহান আল্লাহ দুনিয়ার ভালোবাসায় মত্ত থাকার এবং পরকালকে ভুলে যাওয়ার নিন্দা করেছেন।
তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় আলেম মাওলানা সাদকে বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন কওমি আলেমরা।
সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের তত্ত্বাবধানে মক্কায় রোববার (১৩ আগস্ট) শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলামি সম্মেলন। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ৮৫ দেশের দেড় শতাধিক আলেম ও মুফতি অংশ নিয়েছেন।