আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করি যেখানে সবসময় নিজের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়। যত দূর সম্ভব আমাদের কাজ করতে হয় এবং তা করতে হয় সেরা উপায়ে। পার্থিব এসব কাজেই আমাদের সব শক্তি ব্যয় হয়ে যায়। দুনিয়ার কাজ শেষ করার পর আমরা প্রায়ই ক্লান্ত হয়ে পড়ি।
- অন্ধ্র প্রদেশে হোমওয়ার্ক না করায় শিক্ষকের মারধোর, স্কুলেই মৃত্যু ৬ বছরের শিশুর
- * * * *
- ভারতে এক নারী কে ভালোবেসে এক প্রেমিকের হাতে অপর প্রেমিক খুন
- * * * *
- নতুন রাষ্ট্রপতিকে ইরানের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন
- * * * *
- সালাতুল হাজত পড়ার নিয়ম, নিয়ত, দোয়া ও ফযীলত
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৮
- * * * *
ইবাদত
সন্তানের সঙ্গে সময় কাটানো, তার কথা শোনা, মানসিকভাবে পাশে থাকা এবং নৈতিক শিক্ষা দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, সেটা তারা উপলব্ধি করেন না। ইসলামের দৃষ্টিতে পরিবার হলো সমাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
ভুলত্রুটি ও অসম্পূর্ণতামাহে রমজানের শিক্ষাকে বছরজুড়ে ধরে রাখার শিক্ষা দেয় শাওয়ালের ছয় রোজা।
মহান আল্লাহর বিশ্বাসী বান্দাদের প্রিয় অভ্যাস রাত জেগে ইবাদত করা। রাতের আমল মহান আল্লাহর কাছে অনেক বেশি পছন্দনীয়। যে ব্যক্তি রাত জেগে বিছানা থেকে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহ তাআলা তার প্রশংসা করেছেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ইবাদতে নিয়মিত হওয়া বা 'ইস্তেকামাত' বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় প্রবল আগ্রহ নিয়ে আমল শুরু করলেও কিছুদিন পর তাতে ভাটা পড়ে।
একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আধ্যাত্মিক উন্নতির পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে সফল হতে চাইলে কিছু ইবাদতকে অভ্যাসে পরিণত করা জরুরি। এই কাজগুলো নিয়মিত করলে শুধু পরকালীন সওয়াব মেলে না, বরং মানসিকভাবে প্রশান্তি ও কাজে গতি ফিরে আসে।
পবিত্র রমজান মাস হলো ইবাদত করার প্রতিযোগিতার মাস। আর রমজানের শেষ দশক শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইবাদতে অনেক বেশি মনোযোগ দিতেন।
রমজান মাস মুসলমানদের জীবনে সবচেয়ে বরকতময় ও মহিমান্বিত সময়। এটি শুধু রোজা রাখার মাস নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন, দান-সদকা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক মহান সুযোগ। এই মাসে মসজিদগুলো প্রাণ ফিরে পায়—নামাজ, তারাবি, কোরআন তিলাওয়াত এবং নানা ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের জীবনকে আল্লাহমুখী করে তোলে। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা অনেক সময় ভুলে যাই এই বরকতময় পরিবেশে আমাদের শিশুদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে।
পবিত্র মাহে রমজানের মহান শিক্ষা ও আদর্শকে ধারণ করে কলারোয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়। এদিন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগিতে নিমগ্ন থাকেন।