ভুলত্রুটি ও অসম্পূর্ণতামাহে রমজানের শিক্ষাকে বছরজুড়ে ধরে রাখার শিক্ষা দেয় শাওয়ালের ছয় রোজা।
ইবাদত
মহান আল্লাহর বিশ্বাসী বান্দাদের প্রিয় অভ্যাস রাত জেগে ইবাদত করা। রাতের আমল মহান আল্লাহর কাছে অনেক বেশি পছন্দনীয়। যে ব্যক্তি রাত জেগে বিছানা থেকে উঠে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে আল্লাহ তাআলা তার প্রশংসা করেছেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য ইবাদতে নিয়মিত হওয়া বা 'ইস্তেকামাত' বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় প্রবল আগ্রহ নিয়ে আমল শুরু করলেও কিছুদিন পর তাতে ভাটা পড়ে।
একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আধ্যাত্মিক উন্নতির পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে সফল হতে চাইলে কিছু ইবাদতকে অভ্যাসে পরিণত করা জরুরি। এই কাজগুলো নিয়মিত করলে শুধু পরকালীন সওয়াব মেলে না, বরং মানসিকভাবে প্রশান্তি ও কাজে গতি ফিরে আসে।
পবিত্র রমজান মাস হলো ইবাদত করার প্রতিযোগিতার মাস। আর রমজানের শেষ দশক শুরু হলে রাসুলুল্লাহ (সা.) ইবাদতে অনেক বেশি মনোযোগ দিতেন।
রমজান মাস মুসলমানদের জীবনে সবচেয়ে বরকতময় ও মহিমান্বিত সময়। এটি শুধু রোজা রাখার মাস নয়, বরং আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন, দান-সদকা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক মহান সুযোগ। এই মাসে মসজিদগুলো প্রাণ ফিরে পায়—নামাজ, তারাবি, কোরআন তিলাওয়াত এবং নানা ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের জীবনকে আল্লাহমুখী করে তোলে। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা অনেক সময় ভুলে যাই এই বরকতময় পরিবেশে আমাদের শিশুদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করতে।
পবিত্র মাহে রমজানের মহান শিক্ষা ও আদর্শকে ধারণ করে কলারোয়ায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ীদের সম্মানে এক বর্ণাঢ্য ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
হিজরি বর্ষপঞ্জির শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে শবে বরাত বলা হয়। এদিন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহ আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ ও ক্ষমা লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগিতে নিমগ্ন থাকেন।
শবে বরাত বা ক্ষমার রাতে ইবাদত শেষে মুমিনের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন জাগে- আমার আমল কি আল্লাহর দরবারে কবুল হলো? ইবাদত কবুল হওয়া একান্তই আল্লাহর ইচ্ছা। তবে কোরআন, হাদিস ও নেককার মনীষীদের বক্তব্যের আলোকে এর কিছু ইতিবাচক আলামত বা লক্ষণ রয়েছে।
ইসলামের ইতিহাসে মেরাজ এক অলৌকিক ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবিব (স.)-কে নিজের সান্নিধ্যে ডেকে নিয়েছিলেন এবং উম্মতে মোহাম্মদির জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের তোহফা দিয়েছিলেন। মুসলিম মানসে তাই এই রাতের গুরুত্ব অপরিসীম।