নাসা জানায়, ১৮ নভেম্বর ‘২০২৫ ভিপি–১’ এবং ‘২০২৫ ভিসি–৪’ নামের দুইটি গ্রহাণু পৃথিবীর পাশ দিয়ে যায়। দুটিই আকারে প্রায় বাসের মতো বড়।
গ্রহাণু
নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের মাঝখানের গ্রহাণু বলয় সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার উপাদান হারাচ্ছে।
৫০০ ফুটের দৈত্যাকার গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এই সুবিশাল প্রস্তরখণ্ড পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে ঘটতে পারে মহাপ্রলয়! দানবাকার এই গ্রহাণুর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবার সতর্কবার্তা দিল নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)।
পৃথিবী আবার একটি গ্রহাণুর আঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। শনিবারই একটি বিশাল আকৃতির গ্রহাণু পৃথিবী আর চাঁদের মাঝখান দিয়ে উড়ে যাবে - যাকে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করেছেন এক বিরল ঘটনা বলে।
চলতি বছরের সবচেয়ে বড় গ্রহাণুটি ১২ লাখ ৫০ হাজার মাইলের কাছ দিয়ে ২১ মার্চ রোববার আমাদের এই পৃথিবী অতিক্রম করবে। নাসা বৃহস্পতিবার এ কথা জানায়।
আবারও পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড় আকারের এক গ্রহাণু। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, আগামী রবিবার 153201 2000 WO107 নামের ওই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে চলে যাবে। বিশ্বের দীর্ঘতম বহুতল গগনচুম্বী দুবাইয়ের বুর্জ খলিফার দৈর্ঘ্যের ওই গ্রহাণুটির ব্যাস ০.৫১ কিমি।
দিন দিন পৃথিবীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে গ্রহাণু ‘অ্যাপোফিস’। ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রনমি-র বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অ্যাপোফিস-এর গতি অনেক গুণ বেড়ে গেছে। যে গতিতে গ্রহাণুটি অগ্রসর হচ্ছে তাতে আগামী ২০৬৮ সালে পৃথিবীর সাথে ধাক্কা লাগবে বলে ধারণা করছে বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ জুড়ে ছড়িয়ে আছে বিস্ময়। আর মহাশূন্যে চারপাশে ছোটাছুটি করে নানা ধরনের বস্তু। সেরকমই এক বড় গ্রহাণু সোমবার রাতে ছুটে গেল পৃথিবীর একেবারে পাশ দিয়ে।
ফের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বড়সড় গ্রহাণু। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পৃথিবী থেকে মাত্র ২২ হাজার মাইল (৩৬,০০০ কিলোমিটার) দূর দিয়ে চলে যাবে ওই মহাজাগতিক বস্তু।
গোটা বিশ্ব এখন মহামারীর গ্রাসে। প্রতিদিন ক্রমশ বাড়ছে সংক্রমণ। গোটা বিশ্বের নজর এখন ভ্যাকসিনের দিকে। কিন্তু কবে সেই ভ্যাকসিন দেয়া হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। কিন্তু ২০২০-তে কি শুধুই করোনা! করোনা ছাড়াও একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে।