তীব্র গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় শরীর ও মনে এনে দিতে পারে স্বস্তি। আর সেই পানীয় যদি হয় দুধ, নানা ধরনের বাদাম ও জাফরানে তৈরি, তাহলে স্বাদে যেমন হবে সমৃদ্ধ, তেমনি পুষ্টিতেও যোগ হবে বাড়তি বৈচিত্র্য।
ঠান্ডা
তীব্র গরমে তৃষ্ণা পেলে আমরা সাতপাঁচ ভেবেই ঠান্ডা পানি পান করি। রোজার সময়ে ইফতারে বরফ মিশ্রিত লাচ্ছি, শরবত কিংবা জুস তো থাকেই। এতে তৃষ্ণা তো মেটে, কিন্তু আপনার শরীরের কি উপকার করে? নাকি ক্ষতি ডেকে আনে?
গর্ভাবস্থায় ঠান্ডা পানি পান করা নিয়ে অনেকের মধ্যেই নানা ধরনের ধারণা রয়েছে। কেউ মনে করেন, ঠান্ডা পানি গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর, আবার কেউ বিশ্বাস করেন এটি শিশুর নড়াচড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ধারণার পক্ষে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সরাসরি ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি পান করার ক্ষেত্রে আমাদের বেশিরভাগ সময়েই সতর্ক করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়, ঠান্ডা পানি পান করা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
অনেকেরই বাড়িতে এসি বা কুলার থাকে না। তাছাড়া গরমকালে অনেক সময় সিলিং ফ্যানের বাতাসও গরম বাতাস তৈরি করতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় মেনে চললে
প্রচণ্ড গরমে বাইরে থেকে ঘরে ফিরেই অনেকের প্রথম কাজ হলো ফ্রিজ খুলে এক গ্লাস বরফ-শীতল পানি পান করা। মুহূর্তের মধ্যে শরীর যেন কিছুটা স্বস্তি পায়, ক্লান্তি কমে আসে এবং তৃষ্ণাও মিটে যায়।
ঢাকা শহরের একেক এলাকায় একেক রকম তাপমাত্রা দেখা যাচ্ছে, কোথাও তুলনামূলক স্বস্তি থাকলেও কোথাও গরম অসহনীয় হয়ে উঠছে।
দেখতে দেখতে গরম এসেই পড়েছে। বাংলাদেশে গরম মানেই তীব্র তাপদাহ, ঘাম আর অস্বস্তি। বিশেষত গরমে যখন তাপমাত্রা ৩৫-৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে যায়, তখন স্বস্তির পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও শরীর ঠান্ডা রাখা জরুরি। একটু সচেতন হলেই গরমে আরামদায়ক ও সুস্থ থাকা যায়।
রোজায় দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পর ইফতারের মুহূর্তে চাই এমন কিছু, যা শরীরকে দ্রুত সতেজ করে এবং স্বাদে এনে দেয় ভিন্নতা।
কুড়িগ্রামে আবারও হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।