ঢাকার ধামরাই পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট চন্দ্রাইল এলাকা বছরের অধিকাংশ সময় জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে। প্রায় তিন শতাধিক পরিবার টানা তিন বছর ধরে পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।
পানিবন্দি
আত্রাই নদের পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নওগাঁর মান্দা উপজেলার তালপাতিলা এলাকায় বেড়িবাঁধের একটি স্থান ভেঙে গেছে।
ভারী বর্ষণ আর ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বাড়ছে। এতে দৌলতপুরের সীমান্তবর্তী চরাঞ্চলের দুটি ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারির অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
টানা ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের তীরবর্তী বসবাসকারী রাঙ্গামাটির ছয়টি উপজেলার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
অব্যাহত বৃষ্টি ও জোয়ারের পানির চাপ সহ্য করতে না পেরে যশোরের অভয়নগর উপজেলার আতাই নদীর বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের শান্তিপুর ও রামনগর গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে এবং দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম লোহালিয়া নদীর জোয়ার ও টানা বর্ষণে প্লাবিত হয়ে পড়েছে। প্রবল স্রোতের চাপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় এলাকাগুলোয় হঠাৎ করে নদীর পানি ঢুকে পড়েছে। এতে বসতঘর, রাস্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে ডুবে যাওয়ায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নোয়াখালীতে অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ২৪০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মৎস্য খাতে, এই খাতে ১৩৫ কোটি ৯ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
নোয়াখালী প্রতিনিধি:টানা চার দিনের পাহাড়ি ঢল ও মুষলধারে বৃষ্টিপাতের পর টানা দুদিন নোয়াখালীতে রোদ্রৌউজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করছে। এতে অধিকাংশ উপজেলায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর, দুর্গাপুর ও লক্ষীনারায়ণপুর গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামে পানি বেড়েছে।
নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক মানুষ। দুর্বিষহ জীবন পার করছেন অনেকে। ঢলের স্রোতে ভেঙে গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার গ্রামীণ সড়ক।