ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর তার আর আস্থা নেই।
স্টারমার
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ওপর আস্থা হারানোর অভিযোগ তুলে মন্ত্রিসভা থেকে আরও এক জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে। এ সময় দুই নেতা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে আলোচনা চলছিল, সে বিষয়ে যুক্তরাজ্য অবগত ছিল।
ব্রিটেনের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট উত্তাল ও বিতর্কিত সময় পার করছে। কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে দেশে স্বৈরাচারী ও দমনমূলক শাসনব্যবস্থা কায়েম করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদরত কর্মীদের ওপর যে ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাকে অনেক বিশ্লেষক আধুনিক পুলিশি রাষ্ট্রের লক্ষণের সঙ্গে তুলনা করছেন।
আমরা কখনোই আমাদের পতাকা সমর্পণ করব না বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বৈঠকের সূচি এখনো চূড়ান্ত করা যায়নি।
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ব্রিটেনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণাপূর্ণ মনোভাব বাড়তে থাকায় চলতি রমজানে যুক্তরাজ্যের মুসলিমরা কঠিন সময় পার করছেন বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার।