আল্লাহর রাসুলের (সা.) সাহাবিদের অনেকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে যেমন পুরুষ সাহাবিরা ছিলেন, নারী সাহাবিরাও ছিলেন।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে কি মহিলারা মোটা হয়ে যায়?
- * * * *
- চীন-বাংলাদেশ শিল্পাঞ্চলে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আশা করছে সরকার
- * * * *
- নওগাঁয় স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে খুন, ঘাতক গ্রেফতার
- * * * *
- আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
- * * * *
- গফরগাঁওয়ে নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
- * * * *
ইসলাম
কোরবানির শরিক জোড় সংখ্যক হলেও কোরবানি শুদ্ধ হবে। কোরবানির শরিক বিজোড় সংখ্যক হতে হবে এ রকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস। তার ছাত্র ছিলেন আতা ইবনে আবি রাবাহ। একদিন ইবনে আব্বাস তার ছাত্রকে বললেন, ‘আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতি নারী দেখাব?’
একজন বিচক্ষণ ব্যবসায়ী প্রতি সপ্তাহে তার লাভ-ক্ষতির খাতা মেলান। কিন্তু মুমিনের জন্য আমলনামার হিসাব তার চেয়েও বেশি জরুরি; কারণ ব্যবসার ক্ষতি পোষানো যায়, আখেরাতের ক্ষতি পোষানোর সুযোগ নেই। ইসলামি পরিভাষায় এই আত্মিক হিসাব-নিকাশকে বলা হয় ‘মুহাসাবাতুন নাফস’- অর্থাৎ নিজের নফসের বিচার নিজেই করা।
কোরবানি ও আকিকা দুটি আলাদা আলাদা বিধান। এই দুই বিধানের মধ্যে কোরবানি আদায় করা ওয়াজিব। আকিকা দেওয়া মুস্তাহাব। কোরবানিকে আকিকার ওপর প্রাধান্য দেওয়া ঠিক নয়। ঈদুল আজহার দিন কোরবানি করতে না পারলে ঈদের পর দুই দিন পর্যন্ত তা আদায় করা যায়।
কোরবানি এমন ইবাদত, যাতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় ও সর্বোত্তম সম্পদ উৎসর্গ করা হয়। কোরবানিদাতার চেষ্টা থাকে সবচেয়ে সুন্দর ও হৃষ্টপুষ্ট পশুটি আল্লাহর নামে উৎসর্গ করার; স্বয়ং নবী করিম (স.)-এর সুন্নাহও ছিল তেমন।
কোরবানির পশু বা অন্য কোনো পশু জবাইয়ের সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গর্দান আলাদা করে ফেলা মাকরুহে তাহরীমী। অনিচ্ছাকৃত হলে কোন সমস্যা নেই। এমন পশু খাওয়া খাবে। এমন মুরগি, গরু বা যেকোনো হালাল প্রাণী খেলে কোনো গুনাহ হবে না এবং তা হারামও হবে না।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো নামাজ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। তাই জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ দেওয়াকে কোরবানি বলে। কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য ওয়াজিব। আর যারা করবেনা, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।
অজু করতে বসলে আমরা সাধারণত হাত-মুখ-পা ধোয়ার কথাই ভাবি। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (স.) এমন একটি আমলের কথা বলেছেন, যা করলে কেবল অজুর অঙ্গগুলো নয়, পুরো শরীর পবিত্র হওয়ার সওয়াব পাওয়া যায়। সেই আমলটি হলো অজুর শুরুতে মাত্র একটি শব্দ- ‘বিসমিল্লাহ’।
ইসলামে এমন কিছু আমল আছে যা করতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগে, অথচ ফজিলত সীমাহীন। তেমনই একটি জিকির হলো ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’। অর্থ: ‘আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁরই প্রশংসা করছি।’
হজ ইসলামের পাঁচটি রুকনের একটি। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের নির্ধারিত আমলগুলো সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কিছু বিষয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর নিষেধাজ্ঞা হলো স্ত্রী সহবাস। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- ‘হজের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস রয়েছে।
পবিত্র জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই ১০ রাতের কসম খেয়েছেন (সুরা ফাজর: ২) রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন- ‘জিলহজের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে অন্যকোনো দিনের আমলই উত্তম নয়।’ (সহিহ বুখারি: ৯৬৯) বিশেষ করে যারা কোরবানি দেওয়ার ইচ্ছা রাখেন, তাদের জন্য এই দিনগুলোতে সুন্নাহ ও শরিয়তের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।
কোরবানি একটি ইবাদত। এই ইবাদতের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবেহ করা। আল্লাহ তায়ালা কোরবানি শুধু তার জন্যই করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, বলে দাও, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার ইবাদত ও আমার জীবন-মরণ সবই আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।